৬০% বাস ভাড়া বৃদ্ধি, ভোগান্তিতে যাত্রী -মালিক উভয়ই

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনা মহামারি যেখানে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এ অবস্থায় বাস মালিক ও শ্রমিকদের দাবির প্রেক্ষিতে ভাড়া বৃদ্ধি করার ফলে জনগণের জীবন যাত্রায় নতুন একটি ভোগান্তি ও যন্ত্রণা যোগ করেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

করোনা প্রতিরোধে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী বহনের সরকারি নির্দেশনা আসার সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা আসে ৬০ ভাগ ভাড়া বৃদ্ধির। বাড়তি এই ভাড়া কার্যকর হয়েছে বুধবার থেকে। তবে এক সিট খালি রেখে যাত্রী বসানোর প্রবণতা একেবারেই অনুপস্থিত।

করোনাকালে ভাড়াবৃদ্ধিতে বাড়তি চাপ উল্লেখ করে এমন সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন যাত্রীরা। এক সিট ফাঁকা রাখার নির্দেশনা না মেনেই পরিবহনগুলো বাড়তি ভাড়া নিবে বলেও শঙ্কা তাদের।

যাত্রীরা জানান, ওনারা যদি একজন করে নিত তাহলে আমরা সেভাবে যেতাম। তারা সেই নিয়ম মানবে না। উল্টো পুরো সিটে যাত্রী নিয়ে ভাড়া বেশি নেবে।

গণপরিবহনে গাদাগাদি করে যাত্রী তোলার পাশাপাশি উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধিও।নারায়ণগঞ্জের কিছু কিছু পরিবহন ছাড়া দেখা যায় একই চিত্র। যাত্রীদের অভিযোগ, বাসের হেলপার সুপার ভাইজাররা সিট না থাকলেও জোর করে যাত্রী তোলে।

এদিকে বাস যাত্রীদের র্দীঘ লাইন দেখা যায় বাস কাউন্টারগুলোতে , ৪২ সিটের শীতল বাসে যাত্রী তুলছেন ২১ জন ,ভাড়া ৮০ টাকা ( নারায়াণগঞ্জ টু গুলিস্তান ) ভোগান্তিতে মালিক ও সাধারণ যাত্রী উভয়ই কারন ভাড়া ৬০ ভাগ বাড়ালেও তাদের লোকসান গুনতে হবে বলে জানান, শীতল পরিবহনের এক কর্মকতা।

এদিকে, এক আসন ফাঁকা রেখে সব আন্তঃনগর, মেইল ও কমিউটার ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার আগের ভাড়া অনুযায়ী বিক্রি হয় অর্ধেক টিকিট। আগাম টিকিট বিক্রি করা ট্রেন চলবে আগের নিয়মে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin