৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ব্যয়ে বন্দরে নির্মাণ হচ্ছে ৩৫টি পরিবারের বাসস্থান

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বন্দরের  ভূমি ও গৃহহীন ৩৫টি পরিবারের জন্য বাসগৃহ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৪ ডিসেম্বর বন্দর উপজেলার লক্ষ্মণখোলা ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় এই কাজের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান। বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শুক্লা সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ রশিদ, বন্দর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ কে এম মমিনুল হক, বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদ, ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহম্মেদ দুলাল প্রধান, ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফজাল হোসেনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সেই মোতাবেক বন্দর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘আশ্রয়ন-২’ প্রকল্পের আওতায় লক্ষ্মণখোলায় এই ঘরগুলো নির্মিত হচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম‌পি সেলিম ওসমান বলেন, ‘আজকে যাদের ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী, তারা যেন ঘর ভাড়া না দেয়। তারা যা‌তে এঘ‌রে যাতে থাকে এবং তাদের কর্মসংস্থান এর জন্যও ব্যবস্থা করতে হবে। সত্যিকারের গরীবদের জন্য ঘর গুলো নির্মিত করা হচ্ছে। এই ঘরগুলো যাতে বস্তি না বানানো হয়। তাদের কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা না হলে, তারা কারো কাছে দিয়ে দিবে জায়গা। পরে এখানে  অরাজকতা সৃষ্টি হবে, এগুলো যাতে না হয়। ঘরগুলো যাতে অসহায় মানুষগুলো পায় এবং তাদের কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা হয়। বাকি যে জায়গা গুলো রাইফেল ক্লাব এবং সংশ্লিষ্টদের আছে, তারা জায়গা খালি রাখতে পারবে না।  তাদের জায়গা খালি রাখলে এলাকার উন্নয়ন হবে না, তা এখানকার জনগণ মানবে না।

বন্দর উপজেলার ৩৫টি ভূমি ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত ঘরগুলোর জন্য গৃহ বাবদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এছাড়াও ৩৫ টি গৃহের মালামাল পরিবহন ব্যয় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ১৫ জানুয়ারি ২০২১ সালের মধ্যে উক্ত দুর্যোগ সহনীয় ঘরগুলো নির্মাণ করতে হবে, একইসাথে কাজ সম্পাদনের পর কোন অর্থ থাকলে তা ২০২১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জমা প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সভাপতি বক্তব্যে ইউএনও শুক্লা সরকার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গৃহহীন ও ভূমিহীনদের ঘর নির্মাণের জন্য দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এর মধ্যে একটি ‘ক’ শ্রেণি ও অন্যটি ‘খ’ শ্রেণি। ‘ক’শ্রেণি যাদের ঘর ও জমি কিছুই নেই এবং ‘খ’ শ্রেণি হলো যাদের ১০ শতাংশ জমি আছে কিন্তু ঘর নাই। ‘খ’ শ্রেণিদের জন্য আমরা ইতিমধ্যেই বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছি। আজ ‘ক’ শ্রেণিদের জন্য বাসস্থানের নির্মাণ কাজ শুরু হ‌চ্ছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin