২০ বছর যাবত মাসদাইর বাজারে হালিম বিক্রি করছেন বশির

শেয়ার করুণ

আরবদের হাত ধরে বাংলায় আসা খাবার হালিম, মুঘলদের আমল থেকেই জনপ্রিয়তা পেতে থাকে। দেশ স্বাধীনের পর ধীরে ধীরে এই খাবার ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে৷ প্রথমদিকে এই খাবারের নিয়ন্ত্রণ অবাঙালী বিহারীদের হাতে থাকলেও এখন দেশী অনেকের হালিমই পেয়েছে জনপ্রিয়তা।

প্রাচ্যের ডান্ডি নারায়ণগঞ্জও পিছিয়ে নেই সেই দৌড়ে। মাউরা হোটল, মনির রেস্তোরা, আলম কেবিন ও সুগন্ধা প্লাসের মত অভিজাত রেস্তোরার পাশাপাশি ও এখানে গড়ে উঠেছে অনেক জনপ্রিয় হালিমের দোকান।

তেমনি জনপ্রিয় একটি হালিমের দোকান নগরীর মাসদাইর বাজারের বশিরের হালিম। দীর্ঘ দুই যুগ ধরে হালিম প্রস্তুতকারী বশির আহমেদ মাসদাইর বাজারের বিখ্যাত হালিম মামা হালিমের প্রধান বাবুর্চি ছিলেন।

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আর মানুষের চাহিদাকে প্রাধান্য দিতে গত রমজান থেকেই একা ব্যবসা শুরু করেন। প্রথমে মাসদাইর বাজার মসজিদের সামনে বসলেও এখন স্থায়ীভাবে দোকান দিয়েছেন।

অভিজ্ঞ এই বাবুর্চির দোকানে বিকাল থেকেই শুরু হয় ভীড়। পাশ্ববর্তী মাসদাইর বাজার থেকে নিয়মিত বাছাইকৃত গরুর মাংস, হাড় এবং নিজের স্পেশাল মশলার সমন্বয়ে রান্না করেন হালিম। মাংস হালিম ৫০ টাকা, নলি হালিম ১৫০ এবং পায়া হালিম ১২০ টাকায় বিক্রি করেন।

কাস্টমারের চাহিদার কথা মাথায় রেখে আগামীতে দোকানে নান রুটি, পরোটা ও কাবাব আইটেম যুক্ত করার চিন্তার কথাও জানান বশির।

নিউজটি শেয়ার করুণ