১৬ জুনের বোমা হামলায় তৈমুর-শকু জড়িত নয় বলে মনে করেন শামীম ওসমান

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

২০০১ সালের ১৬ জুন চাষাড়ায় আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার ও শওকত হাশেম শকু জড়িত নন উল্লেখ করে আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমান।

আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বোমা হামলা মামলায় সাক্ষী দেন সরকারদলীয় এই প্রভাবশালী সাংসদ। দুপুর দুইটার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রবেশ করে তিনি প্রায় ৩০ মিনিট সাক্ষ্য দেন। এ সময় তিনি ২০০১ সালে সংঘটিত বোমা হামলার ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরন তুলে ধরেন। সাক্ষ্য দেওয়ার এক পর্যায়ে তিনি বলেন, নির্দোষ ব্যক্তিরা এই মামলায় শাস্তি পাক আমি তা চাই না।

বিএনপি নেতা তৈমুর আলম ও শকু এই ঘটনার সাথে জড়িত না বলে আমি মনে করি। এ সময় নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্থানীয় কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু আসামির কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষ্য দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে বোমা হামলা ও আদালতে সাক্ষ্যের বিষয়ে কথা বলেন এই আইনপ্রনেতা।

তিনি বলেন, ২০০১ এর ১৬ জুন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বোম ব্লাস্ট হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০৪ এ ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি আরো জানান ২০০৮ সালে দেওয়া প্রতিবেদনে তার দেয়া সাক্ষ্যের কোন মিলই ছিলনা। পরে তিনি এই ব্যপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, দলের সাধারন সম্পাদককে তিনি এ ব্যপারে জানান। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই সাক্ষ্য প্রদান। তিনি বলেন এই ঘটনায় প্রকৃত দোষীরা শাস্তি পাক এটাই তিনি চান। কোন নিরপরাধ মানুষ যাতে শাস্তি না পায় এই প্রত্যাশা করেন তিনি।

এই ঘটনায় বিএনপি নেতা এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার ও কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু জড়িত নয় বলে তিনি মনে করেন। শামীম ওসমানের এই কথার প্রেক্ষিতে কাউন্সিলর শকু বলেন “এমপি সাহেব যথার্থই বলেছেন। তার এই কথায় আমাদের এত দিনের কষ্ট শেষে হয়ে গেছে।”

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin