স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এনায়েতনগরে প্রস্তুতি শুরু

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় নির্বাচনকে নিয়ে অনানুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা। জেলার সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কৌশলে নিজেদের অবস্থার জানান দিচ্ছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। কে হবেন আগামী দিনের অবিভাবক তা নিয়ে চলছে ভোটারদের চুলচেরা বিশ্লেষন। চেয়ারম্যান পদে একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও প্রভাবশালী তিনজনকে নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। প্রভাবশালী তিন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহন করলে নির্বাচনের হিসাব ভিন্ন রুপ নিবে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলেই ভাবছে ভোটাররা। প্রভাবশালী তিন প্রার্থীর মধ্যে দুইজন আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করার আগ্রহ থাকলেও একজন প্রার্থী নির্দলীয় ভাবে নির্বাচন করতে চায়। আর বিএনপি প্রার্থী অপেক্ষায় আছেন দলীয় সিদ্ধান্তের।

এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লিটন, পঞ্চবটি গফুর মার্কেটের মালিক হাজী মাসুদ ভূইয়াকে নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। তারা উভয়ে স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী। তাদেরকে নিয়ে জনগন আলাদা ভাবে চিন্তা ভাবনা করছে। আবার অনেকে চায় পরিবর্তন এবং নতুন মুখ। পরিবর্তন হলে জনগন সঠিক সেবা পাবে সেই প্রত্যাশা করেন এনায়েতনগরবাসী।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বর্তমান আসাদুজ্জামান এবারও নির্বাচন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে। তিনি এবারও স্থানীয় সাংসদ শামীম ওসমানের সমর্থন ও আশীর্বাদ নিয়ে দলীয় মনোনায়ন নির্বাচন করতে চায়। আসাদুজ্জামান জানান, জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে জনগনের সেবা করে চলছি। আগামী নির্বাচন দলীয় মনোনয়ন নিয়ে এবারও নির্বাচনে অংশগ্রহন করবে। তবে আমার রাজনৈতিক নেতা ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ভাইয়ের সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। এছাড়া জনগনের ভালোবাসা ও সমর্থন চাই। তিনি আশা প্রকাশ করেন তার বিগত সময়ের কাজের মূল্যায়ন করেই জনগন তাকে নির্বাচিত করবে।

সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লিটন কোন দলীয় ব্যানার নিয়ে নির্বাচন করবে না বলেই জোর গুঞ্জন চলছে এলাকায়। তিনি নির্দলীয়ভাবে নির্বাচন করতে চায়। হাবিবুর রহমান লিটন এবার নির্বাচনে অংশগ্রহন করার ইচ্ছে পোষন করে জানান, কোন দলীয় সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করতে চাই না। জনগনের সেবা করবো তাই জনগনের সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। জনগনই আমার ভরসা। জনগনের সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত।

অপর সম্ভাব্য প্রার্থী মাসুদ ভূইয়াও জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে চান। তিনি বলেন, জনগনের যদি চায় এবং আল্লাহর হুকুম হলে জনগনের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত ক রবো। নিজের কোন চাওয়া পাওয়া নাই, জনগনের সেবা করা মূল লক্ষ্য যোগ করেন তিনি।

নির্বাচনে অংশগ্রহনের ব্যাপারে গত নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হক আলমগীর বলেন, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান পদে মাঠে নেমেছিলাম। ধানের শীষের মনোনয়ন পাওয়া অনেক ভাগ্যের ব্যাপার এবং বহু দিনের আশা আকাঙ্খা থাকে। তিনি আশা প্রকাশ করেন দল থেকে মনোনয়ন পেলে এবং সৃষ্ঠু নির্বাচন হলে এবার তিনি জয়ী হবেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin