স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ পোড়ানোর ঘটনায় সেই ঘাতক স্বামীর জবানবন্দি

শেয়ার করুণ

বন্দরে এক সন্তানের জননী জনী অনিতা (২৩)কে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। গত বুধবার (১৩ এপ্রিল) নিহতের মা রুমি আক্তার বাদী হয়ে ঘাতক স্বামী আশিকুল্লাহকে আসামী করে বন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

এ দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধারের ওই দিন বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর স্কুলঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘাতক স্বামী
আশিকুল্লাহ (৩৫)কে গ্রেপ্তার করেছে। পরে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই সাইফুল আলম পাটুয়ারী গ্রেপ্তারকৃত স্বামী আশিকুল্লাহকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৪ এপ্রিল সকালে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানের জন বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করেছে।

পরে গ্রেফতারকৃত স্বামী আশিকুল্লাহ হত্যাকান্ডের দায় স্বিকার করে উল্ল্যেখিত আদালতে স্বিকারোক্তি জবানবন্ধী প্রদান করেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ বছর পূর্বে ব্রাম্মনবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার চরচারতলা এলাকার আবুল কালাম মিয়ার মেয়ে জনি অনিতা সাথে বন্দর থানার র্কোটপাড়াস্থ জনৈক ওয়াজেদ আলী মিয়ার বাড়ি ভাড়াটিয়া শাহআলম মিয়ার ছেলে আতিকুল্লাহ সাথে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে হয়। ৭ বছরে সংসার জীবনে তাদের সংসারে আতিক (৬) নামে এক পুত্র সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক কারনে পাষান্ড স্বামী আতিকুল্লাহ তার স্ত্রী জনী অনিতাকে কারনে বা অকারনে মরধর করত। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৩ এপ্রিল বুধবার রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে যে কোন সময়ে পাষান্ড স্বামী আতিকুল্লাহ তার স্ত্রী জনী অনিতাকে গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে হত্যাকারি পাষান্ড স্বামী লাশ গুম করার জন্য অজ্ঞাত নামা ২/৩ জনের সহযোগিতায় লাশ গুম করার জন্য বন্দর র্কোটপাড়া জনৈক আলফাজ উদ্দিন মিয়ার বাড়ির সামনে ময়লার স্তপ নিয়ে লাশের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে করে ১ সন্তানের জননী জনী অনিতা মুখমন্ডল থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়িয়া কালা হয়ে যায়। পুলিশ এলাকাবাসীর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে ১ সন্তানের জননী মৃতদেহ উদ্ধার করে র্মগে প্রেরণ করে।

নিউজটি শেয়ার করুণ