সোহেল ভাইয়ের কুলফি মালাই, দশ বছরে স্বাদে ও মানে একইরকম

শেয়ার করুণ

মাথায় একটি লাল ক্যাপ, আর পুরানো শার্ট- প্যান্ট, মুখে সর্বদা হাসি, কুলফি মালাইয়ের গাড়ি ঠেলতে ঠলতে ছুটে চলা। দশ বছর যাবত নারায়ণগঞ্জের মানুষকে খাইয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার বিখ্যাত কুলফি মালাই। সেই লাল ক্যাপ পড়া লোকটার নাম সোহেল ভাই পুরো নাম মোঃ সোহেল রানা।

সোহেল ভাইয়ের বয়স আনুমানিক ৫৫-৫৬ বছর। বিশ বছর যাবত কুলফি মালাই বিক্রি করছেন কুষ্টিয়ার কুমারখালি থানায় জম্মগ্রহন করা এই কুলফি বিক্রেতা।

২০ বছর যাবত কুলফি বিক্রি করলেও নারায়ণগঞ্জের মানুষদের কুলফি খাইয়ে যাচ্ছেন গত ১০ বছর যাবত।

প্রতিদিন সকাল ৯ টায় নগরীর মাসদাইর বাজার থেকে শুরু করে দুই নং রেল গেইট এলাকায় সন্ধ্যা ৭ টায় গিয়ে শেষ হয় মোঃ সোহেলের এই কুলফি মালাই বেচা। দৈনিক ২৫০-৩০০ টি কুলফি আইসক্রিম বিক্রি করেন। ১০,২০ ও ৩০ টাকায় পাওয়া যায় কুলফি মালাই।

নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনকে মোঃ সোহেল জানান, গ্রীস্মকালে তার কুলদি বিক্রির পরিমান বেশী থাকলেও বিপরীত চিত্র থাকে শীতকালে।

নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলার ইস্পাহানি সংলগ্ন ৫ নং ঘাটে পাশেই থাকেন মোঃ সোহেল রানা। সম্প্রতি দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির জন্য কিছুটা টালমাটাল তার ব্যাবসার পরিস্থিতি। বেচা বিক্রি কম হলেও হার মানতে নারাজ সোহেল ভাই। সব কিছুর সাথে তাল মিলিয়ে ঘুরে দাড়াতে চান।

সোহেল ভাই জানান, তার কুলফির মূল উপকরন দুধ, চিনি, কিসমিস ও টোষ্ট বিস্কিট। যার প্রত্যেকটির দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন হারে।
সবকিছু পিছনে ফেলে সদাহাস্যজ্বল সোহেল ভাইয়ের কুলফি মালাই হাসি ফুটাচ্ছে সকল বয়সের মানুষের মাঝে, এটাই তৃপ্তি সোহেল ভাইয়ের।

নিউজটি শেয়ার করুণ