সুগন্ধা বেকারীর মালিক নরুল হকের বিরুদ্ধে বাড়ী আত্মসাতের অভিযোগ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নগরীতে সুগন্ধা বেকারীর মালিক নুরুল হক আনসারীর বিরুদ্ধে ৪২ জন অসহায় বোবা প্রতিবন্ধী ৮০ বছরের বসত বাড়ী আত্মসাৎ করার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা

রবিবার (২০ জুন) দুপুর ১২ টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর ওই অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ৪২ পরিবারের পক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা সংবাদপত্র হকার্স সমিতির সদস্য সচিব মো. সোহেল মিয়া।

অভিযোগটি হুবুহু তুলে ধরা হলো:

বরাবর,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়
নিকট লিখিত আবেদন ও স্বারক লিপি।

বিষয়ঃ ভূমি দস্যু সুগন্ধা বেকারীর মালিক নুরুল হক আনসারীর বিরুদ্ধে ৪২ জন্য অসহায় বোবা প্রতিবন্ধী ৮০ বছরের বসত বাড়ী আত্মসাৎ করার পায়তারার অভিযোগ।

মাধ্যমঃ জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জ।
জনাব,
সম্মান পূর্বক বিনীন আবেদন এই যে, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী মোঃ সোহেল মিয়া, পিতাঃ মৃত গণি মিয়া, সাং-পুরাতন ৮৮, নতুন-৬২/৪, খগেন্দ্রনাথ চক্রবতী রোড, গলাচিপা, থানা+জেলাঃ নারায়ণগঞ্জ। ১ থেকে ৩০ নং আম-মোক্তার দলিল গ্রহীতা এই মর্মে অভিযোগ করিতেছি যে, আসামী ১) নুরুল হক আনসারী, পিতাঃ নুর মোহাম্মদ আনসারী, ২) মাহবুবা, স্বামীঃ নুরুল হক আনসারী, সাং- ৩৯নং কলেজ রোড, প্রথম অংশ গলাচিপা, নারায়ণগঞ্জ, ৩) শিল্পী, পিতাঃ মৃত জব্বার গং, সাং-৮৭, গলাচিপা, নারায়ণগঞ্জ। এদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় ও এসপি অফিসে ৬টি অভিযোগ ও জিডি এন্ট্রি করা আছে।

  • মূল বিষয় হচ্ছে যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি (৪২) জন অসহায় পরিবারের প্রতি যদি একটু নজর দিতেন তা হলে আমরা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে জীবনে একটু আশার পথ দেখতে পেতাম। আর যদি টাকার জন্য কোর্টে আমাদের বাড়ী হারাতে হয় তাহলে জীবন দিব কিন্তু বসত ভিটা কোন ভূমি দস্যুকে স্বাধীন বাংলায় খেতে দিব না কারণ আমরা গরীব, নিরীহ তাই আমাদের কোর্টের মাধ্যমে হেয়-পরিত্যাক্ত করছে। আমরা আপনার কাছে সুষ্ঠ বিচার চাই। কারণ নালিশা ভূমি নিয়া নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে ৪টি মামলা চলমান যার দেওয়ানী মোকাদ্দমা নং-২০৩/১২ এবং ভাটোয়ারা মোকাদ্দমা নং-২৫৭/১৮ চলমান। জেলা জজ আদালতে মিছ আপিল ১৮/২০ চলমান। প্রকৃত বিষয় হচ্ছে যে, সি.এস রেকর্ডিয় মালিক ছিলেন জমিদার শরৎ চন্দ্র রায় চৌধুরী গং। মালিক ও দখলদার থাকা অবস্থায় সি.এস ৪৭,৪৮ নং দাগের চাষাড়া ম-খন্ড মৌজায় ১৮ শতাংশ সম্পত্তি জমিদার বিক্রয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করিলে সি আব্দুল হাকিম মিয়া তাহার ক্রয় করতে ইচ্ছা পোষন করেন এবং মিরাজী পাট্টা দলিল মূলে গত ৪/০৬/১৯৪১ইং তারিখে ৩৪৭৮নং দলিল সম্পাদন করেন এবং ১১/০৬/১৯৪১ইং তারিখে রেজিষ্ট্রি করে দিয়ে আব্দুল হাকিম মিয়াকে বুঝাইয়া দিয়া জমিদাররা চিরতরে নিস্ববান হন। অতপর আব্দুল হাকিম মিয়া নালিশা সম্পত্তি ভোগ দখলকার থাকা অবস্থায় তাহার টাকার বিশেষ প্রয়োজনে সি আব্দুল জলিল মিয়ার নিকট ০৮/০৪/১৯৪৩ইং তারিখে দলিল সম্পাদিত এবং
  • ০৯/০৪/১৯৪৩ইং তারিখে রেজিষ্ট্রিকৃত সাব-কাবলা দলিল মূলে নালিশা ভূমি জলিল মিয়ার নিকট হস্তান্তর করেন। আব্দুল জলিল মিয়া মারা গেলে এক স্ত্রী কমরুন বিবি ৬পুত্র ১) ইব্রাহিম, ২) মুছা, ৩) ইছা, ৪) ইসমাঈল, ৫) সুলেমান, ৬) গণি মিয়াকে এবং তিন কন্যা ১) রাবেয়া, ২) আমেনা, ৩) ফাতেমাকে ওয়ারিশ রাখিয়া মৃত্যু বরণ করেন। ৫১ নং এস.এস খতিয়ানটি ভুলক্রমে কমরুন বিবির নামে ১৪শতাংশ .৬০ পয়েন্ট ভুলবশতঃ আব্দুল জব্বারের নামে ৩৪০ লিপিবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীতে আর এস রেকর্ড সংশোধিত হয়ে ১দাগে ১১৯নং দাগের ১৮ শতাংশ হইতে জলিল মিয়ার স্ত্রী কমরুন বিবির নামে ১৫.২০শতাংশ এবং ভুলবশত আব্দুল জব্বার গং এর নামে ২.৮০ পয়েন্ট প্রচার ও প্রকাশিত হয়। ১৯৭৫ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আব্দুল জব্বার গং বাদী হইয়া তৎকালীণ ঢাকার ২য় সাব জজ আদালতে ৯৮/৭৫ বন্টনের মোকাদ্দমা দায়ের করেন যাহা ৩০/১১/১৯৭৭ইং তারিখে দুতরফা সূত্রে খারিজ এবং বাতিল হয়।

এবং ১০/০১/১৯৭৮ইং তারিখে ডিক্রি প্রদান করা হয়। পরাজিত জব্বার গং ৯৮/৭৫ নং মামলার রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল ১০৪/৮৪ মোকাদ্দমাটি দায়ের করেন যাহা নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে ০৯/০২/১৯৯৫ইং তারিখে দুতরফা সূত্রে ডিশমিশ করেন এবং বাতিল করেন। অতঃপর মহামান্য সুপ্রিম কোর্র্টের হাইকোর্ট বিভাগে সিভিল ডিভিশন ৩৪/৬৮ দায়ের করেন। যাহা আদেশ ছাড়া সরানো হয়। মামলাটি বাদী পক্ষে ডিক্রি প্রদান করেন। অতপর ৯৮/৭৫নং মামলাটি বাদীগণের পূর্ব পরবর্তীগণ ০৯/০৭/২০০১ইং তারিখে রায়ের বিরুদ্ধে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল ১৩৯৪/২০০১ মামলা দায়ের করিলে ২৯/০৬/২০০২ইং তারিখে উহা ডিশমিশ করেন। উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে সিভিল রিভিউ পিটিশন নং-০৪/২০০৩ দায়ের করিলে তাহা শুনানি অন্তে ডিশমিশ ও বাতিল হয় ফলে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিগত ০৯/০৭/২০০১ইং তারিখে রায় ও ডিক্রি বহাল থাকে এবং সেই মোতাবেক ১ থেকে ১৯নং বিবাদী পক্ষ নালিশা ভূমিতে তাহাদের প্রাপ্ত ১৮শতাংশ সম্পত্তি দখল আছে মর্মে দেওয়ানি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin