সিস্টেমের ভেতরে যারা আছে তারাই সিস্টেম ভাঙ্গেঃ শামীম ওসমান

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতদের পরিবার প্রতি ৫ লাখ টাকা করে প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ৫ লাখ টাকার চেক পরিবারগুলোর হাতে তুলে দেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) জসিম উদ্দিন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক, পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন প্রমুখ।

চেক প্রদান অনুষ্ঠান শামীম ওসমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী তিনি এতিমের কষ্ট সব সময় বুঝেন। আপনারা তার জন্য দোয়া করবেন। যারা নিহত হয়েছেন তাদের জন্য আপনারা দোয়া করবেন এবং যারা চিকিৎসাধীন তারা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেন সেজন্য দোয়া করবেন।

চেক প্রদান অনুষ্ঠান শামীম ওসমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী তিনি এতিমের কষ্ট সব সময় বুঝেন। আপনারা তার জন্য দোয়া করবেন। যারা নিহত হয়েছেন তাদের জন্য আপনারা দোয়া করবেন এবং যারা চিকিৎসাধীন তারা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেন সেজন্য দোয়া করবেন।

তিনি বলেন, আমরা এখনো বুঝতে পারছি না যে আল্লাহ পরীক্ষা নিচ্ছেন। এখনো মানুষ চুরি করছে। স্বাস্থ্যখাতে এখনো চুরি হচ্ছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত বুঝতে পারবো ততক্ষণ এগুলো চলবেই।

শামীম ওসমান বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপনাদের সাথে আছেন। আমিও আছি। আমার পরিবারের বেশীরভাগ সদস্য করোনায় আক্রান্ত। আমার স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি। সারারাত ঘুমাইনি। তার পরেও আমি এসেছি আজকে শুধুমাত্র ভালো লাগার জন্য। যারাই মারা গেছেন আমি মনে করি তারা ইতোমধ্যে বেহেশতের দরজায় পৌছে গেছেন।’

গত কয়েক মাস ধরেই দুর্নীতি নিয়ে কথা বলছেন শামীম ওসমান। তিনি রোববার বলেন, ‘সিস্টেমের ভেতরে যারা আছে তারাই সিস্টেম ভাঙ্গে। নারায়ণগঞ্জে বাড়ি নির্মানের পারমিশন দেওয়ার কথা রাজউকের কিন্তু দিচ্ছে অন্য কেউ। রহমতউল্লাহ ইন্সটিটিউটের সভাপতি ডিসি কিন্তু ভাঙছে অনেকে। রক্ষক হয়ে গেছেন ভক্ষক।

পরে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

তল্লাবাসী ও নারায়ণগঞ্জের সুধীমহলের মতে, প্রধানমন্ত্রী শুরু থেকেই তল্লায় মসজিদ ট্রাজেডির ঘটনায় পোড়া রোগীদের খেয়াল রাখেন। উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেন। বিনামূল্যে শেখ হাসিনা বার্ণ ইনস্টিটিউটে ৩৭ জন পোড়া রোগীর চিকিৎসা হয়েছে। শরীরের ৭০ শতাংশের বেশি পোড়া থাকায় ও শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় আধুনিক চিকিৎসা সত্ত্বেও এ যাবত ৩৪ জনের মৃত্যু ঘটেছে। একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পেরেছেন। বাকী ২ জনের চিকিৎসা চলছে আইসিইউ ইউনিটে। ঘটনার পরপরই আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি তাঁদের আর্থিক সহযোগিতা করলেন।

প্রসঙ্গত, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে এশার নামাজ চলাকালে ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিকট শব্দে বিস্ফোরণে অর্ধশতাধিক মানুষ অগ্নিদগ্ধ হন।

সুত্রঃ নিউজ নারায়াণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin