সিরাজুল মামুনঃ প্রচারবিমুখ পরোপকারী এক শিক্ষাবিদ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

এবি এম সিরাজুল মামুন, মোল্লা মামুন স্যার নামে যিনি নারায়ণগঞ্জ শহরে যিনি ব্যপক পরিচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজীতে উচ্চশিক্ষা নিয়ে যিনি নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিয়েছেন মানবতার কল্যানে। উচ্চ বিলাসী জীবনের হাতছানিকে উপেক্ষা করে যিনি কাজ করে যাচ্ছেন মানুষের কল্যানে।

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মানুষের কল্যানে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছন। ৯০ এর দশকে ইংরেজী যখন শিক্ষার্থীদের জন্য এক সাক্ষাৎ জমের নাম তুখোড় মেধাবী মামুন স্যার তখন এগিয়ে আসেন ইংরেজী শিখানোর ব্রত নিয়ে। তার কাছে ইংরেজী পড়ে অনেকে আজ সরকারী বড় বড় আমলা হয়েছে। ৯০ দশকে শহরে এমন বাড়ি হয়তো খুজে পাওয়া যেত না যে বাড়িতে মামুন স্যারের কোন শিক্ষার্থী নেই।

শতশত শিক্ষার্থী পড়িয়েও নিজের উপার্জিত অর্থ তিনি অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে গেছেন গরীব মানুষের প্রয়োজনে। জীবনে কাউকে কোন কিছু দেয়ার ক্ষেত্রে তিনি হিসেব করেন নি। পকেটে যা ছিল তাই দিয়ে দিতেন। একবার স্যার খুব সকালে জামতলা থেকে মাসদাইর আসলেন। ভাড়া সর্বসাকুল্যে ১৫ টাকা হবে। স্যার ৫০ টাকার নোট দিয়ে দিলেন। স্যারের কাছে ইংরেজী পড়ার সুবাধে স্যারের অনেক মানবিক গুন গুলো দেখার সুযোগ হয়েছে।

এসএস সির শেষ ক্লাসে সবাই মিলে চাদা তুলে কিছু খাবার আর কাপড় কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম স্যারের জন্য। স্যার শুধু এক পিছ মিষ্টি খেয়ে এক অভাবগ্রস্থ আলেমকে দিয়ে দিলেন। পাঞ্জাবীর কাপড়টাও তাকে দিয়ে দিলেন। প্রতিদিন দুপুরে কাউকে না কাউকে নিয়ে খাবার খেতেন। অতিরিক্ত খাবার নিকটস্থ অভাবীদের মাঝে বিলিয়ে দিতেন।

সরলসোজা জীবন যাপনকারী মামুন স্যারকে কখনো দেখিনি দামি কোন কাপড় পড়তে। সাদাসিদে জীবন যাপনেই তিনি অভ্যস্থ। মাঝে মাঝে দেখতাম বড় ভাইরা স্যারের সাথে দেখা করতে এসে বিভিন্ন মৌসুমী ফল বা খাবার নিয়ে আসতেন। স্যার একটা বা দুটো রেখে ছাত্রদের দিয়ে বলতেন অভাবীদের মাঝে বিলিয়ে দিতে।

ইংরেজিতে ঈর্ষনীয় ফলাফল করা স্যারের ইংরেজিতে যেমন পটু, ধর্মীয় শাস্ত্রেও স্যারের অবাধ বিচরন। স্যারের চালচলন দেখে কখনোই মনে হবে না উনি একজন ইংরেজি শিক্ষক। আচার আচরণ আর বেশভূষায় নিখাদ একজন আলেমই মনে।

আসন্ন নির্বাচনে আমাদের শ্রদ্ধেয় মামুন স্যার খেলাফত মজলিস মনোনীত মেয়র প্রার্থী হয়েছেন। যোগ্যাতার মাপকাঠিতে তিনি অন্য যে কোন মেয়র প্রার্থীর থেকে কম যান না। বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনী ভাষনে স্যার যেই ওয়াদাগুলো করেছেন দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি একচুলও কথার হেরফের হবে না। গরীব মেহনতি মানুষের আমানতের একচুলও খেয়ানত হবে না। যিনি নিজের সীমিত সামর্থের আলোকে শত শত অভাবগ্রস্থ মানুষকে টেনে তুলেছেন, নিঃসন্দেহে তিনি মেয়র হলে নগরীর হাজার হাজার বেকারের ককর্মসংস্থান হবে। নগরবাসী সত্যিকার অর্থেই তাদের একজন সেবক পাবে। স্যারের জন্য রইলো অনেক অনেক শুভকামনা।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin