সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফের রোজিনা মেম্বারের চরিত্র হরনের ঘৃন্য অপচেষ্টা

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

আবারো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দুকদের রোষানলে পড়েছেন এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য রোজিনা আক্তার। ফেসবুক এবং ইমোতে ফেক আইডি খুলে রোজিনা মেম্বারের নামে একটি কুচক্রী মহল তার চরিত্র হননের এক ঘৃন্য অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।করোনার হটস্পট হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জে প্রথম দিকে যারা মৃতদেহ সৎকারের কাজে এগিয়ে এসেছিলেন রোজিনা মেম্বার তাদের অন্যতম।

আলোচিত এই জনপ্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনকে জানান গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কে বা কারা উনার নাম ও বিকৃত ছবি ব্যবহার করে জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এবং ইমোতে দুটি আইডি খুলে। এসব আইডি থেকে কুরচিপুর্ন লেখা ও ছবি পোস্ট করা হচ্ছে। এছাড়া এসব আইডি ব্যবহার করে উনার পরিচিতজনদের সাথে প্রতারণা করার অভিযোগও করেছেন আলোচিত এই মহিলা মেম্বার।

নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তিনি নিজের শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতজনদের ফেক আইডির ব্যপারে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছেন এই স্বেচ্ছাসেবী নারী। নিজের ফেসবুকে তিনি লিখেন “প্রিয় এলাকাবাসী, আসসালামুআলাইকুম। কে বা কাহারা আমার নামে ফেক আইডি খুলেছে দয়া করে কেউ এই আইডির সাথে এড হবেন না। আমি এই আইডির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি আর এই আইডিতে ঢুকে রিপোর্ট করুন। এই আইডিটা এক বোন চালাচ্ছেন। কিভাবে এক নারী হয়ে আরেক নারীর সম্মান নষ্ট করে।” ওনার এই পোস্ট মুহুর্তেই ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এসেছে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের নজরে। নারায়ণগঞ্জের আরেক আলোচিত করোনা হিরো কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ লিখেছেন, ‘ভাল কাজের খেসারত।

প্রবাদ আছে যখন দেখবে তোমার শত্রু তৈরী হচ্ছে তখন বুঝবে তুমি ভাল কাজ করছো। এনায়েতনগর ইউপি মেম্বার ও টিম খোরশেদ নারী টিমের সমন্বয়কারী রোজিনা আক্তার দেশে প্রথম মহিলা যিনি টিম খোরশেদ এর আহবানে সাড়া দিয়ে করোনায় মৃত নারী মরদেহ গোসলের জন্য এগিয়ে আসেন। দিনের পর দিন রাতের পর রাত নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, ঢাকা ছুটে বেড়িয়েছেন করোনা মরদেহ গোসল দিয়ে কাফন পরানোর জন্য।

সেই রোজিনার নামে এ ধরনের ফেক আইডি খুলে প্রচারনা করা হচ্ছে।নিয়ম মোতাবেক আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। সম্ভবত সেই কারনেরই এমন নগ্ন কাজ করছে কেউ। যারা এমন অপপ্রচারে লিপ্ত হয় তারা আল্লাহ ও তাদের নিজেদের কর্মের প্রতি বিস্বাস করে না।তাই তারা এমন এমন হীন কাজ করে।’ করোনার হটস্পট নারায়ণগঞ্জে নারী মৃতদেহ গোসল ও সৎকারের জন্য সর্বপ্রথম এগিয়ে আসেন এই নারী। দুই সন্তানের জননী এই জনপ্রতিনিধির রয়েছে নারায়ণগঞ্জের বাহিরে গিয়েও মৃতদেহ গোসলের অভিজ্ঞতা।

করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে তিনি রেখেছেন দায়িত্বশীল এক জনপ্রতিনিধির ভূমিকা। এছাড়া খাদ্য সহায়তা দিয়েও তিনি পাশে দাড়িয়েছিল নিজের নির্বাচনী এলাকায়। খুব শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান হোক এবং দোষীরা আইনের আওতায় আসুক এই প্রত্যাশা এখন এলাকাবাসীর।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin