সরকার দেশের মানুষকে আল্লাহর ওয়াস্তে ছেড়ে দিয়েছে- বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনা সংক্রমণ মোকাবেলায় সরকার উল্টো পথে হাঁটছে বলে দাবি করছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কঠোর লকডাউনের মধ্যেই করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু যখন ভয়ানক ঊর্ধ্বগতিতে তখন বাস্তবে লকডাউন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি আত্মঘাতী ও বিপজ্জনক। সরকারের এ সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরো শোচনীয় করে তোলার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সর্বাত্মক লকডাউনের পর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের মতামত ও সুপারিশ অগ্রাহ্য করে ১৫ জুলাই থেকে অপরিকল্পিতভাবে সবকিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে দেশের জনগণ আরো বিপদগ্রস্ত হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরিবর্তে উল্টো আগামী কদিন সামাজিক মেলামেশার মধ্য দিয়ে গোটা বাংলাদেশই করোনার হটস্পটে পরিণত হবে। যা মানুষের প্রাণহানির ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে তুলবে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি দুর্যোগকালীন অভাবী মানুষেরও দায়িত্ব নিতে না পারায় সরকার এখন দেশের মানুষকে আল্লাহর ওয়াস্তে ছেড়ে দিয়েছে। সরকারের এসব হঠাকারী পদক্ষেপের অর্থ হচ্ছে যে যেভাবে পার বাঁচো। এটা সরকারের চরম দায়িত্বহীনতার আরো একটি উদাহরণ।

তিনি বলেন, মানুষের জীবনের পাশাপাশি নিশ্চয় জীবিকা রক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে।

মহামারিকালে জীবিকা রক্ষায় সরকারের বহুমাত্রিক ভূমিকা নিশ্চয় গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য এই দুর্যোগকালে সরকারকেই অভাবী সাধারণ মানুষের দায়িত্ব নিতে হবে। তাদের কাছে খাদ্য ও নগদ অর্থ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, স্বেচ্ছাচারী পন্থায় অপরিকল্পিতভাবে লকডাউন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আমরা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আহ্বান জানাই। একই সাথে টিকা প্রদান কার্যক্রম আরো জোরদারের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণেও জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানানো হয় পার্টির এই বিবৃতিতে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin