সংসদ ভেঙে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠনের প্রস্তাব খেলাফত মজলিসের

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব দিয়েছে খেলাফত মজলিস। এই লক্ষ্যে প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধনের কথা বলেছে দলটি।
সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের এর নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেন। আহমদ আবদুল কাদের হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা। গত মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর ঘিরে সহিংসতার পর তিনিও গ্রেফতার হন। ৯ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়ে তিনি রাষ্ট্রপতির সংগে সংলাপে অংশ নিলেন।

খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কৃতি এমন পর্যায়ে গেছে যে দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও অবিতর্কিত নির্বাচন অনুষ্ঠান প্রায় অসম্ভব। বিগত বহু বছরের অভিজ্ঞতা তাই বলে। শুধু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনই সর্বাধিক নিরপেক্ষ হয়েছে। এর আগে বা পরে আর কোনো নির্বাচনই নিরপেক্ষ ও অবাধ বলে স্বীকৃত হয়নি।

নির্বাচন কমিশন গঠন, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে খেলাফত মজলিস পাঁচটি প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে তিনটি বিষয় উল্লেখ করেছে দলটি। এর মধ্যে রয়েছে প্রথমত, সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় নির্বাচন করার জন্য প্রয়োজনে সংবিধানে সংশোধনী আনা।

দ্বিতীয়ত, সংবিধান সংশোধন করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠন। এই সরকার মূলত ‘তত্ত্বাবধায়ক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। অর্থাৎ তারা দৈনন্দিন কাজ সম্পাদন করবে এবং নির্বাচন কমিশনকে সার্বিক সহায়তা দেবে। তৃতীয়ত, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আলাপ–আলোচনা এখনই শুরু করা।

ইসি গঠনে সংবিধান অনুসারে আইন প্রণয়ন করা। কারা নির্বাচন কমিশনে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন, সে বিষয়েও মত দিয়েছে দলটি। এছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রয়োজনে দেশ জুড়ে সামরিক বাহিনী মোতায়েন এবং তাদের বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার দাবি করেছে দলটি।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক ছিলো খেলাফত মজলিস। সরকারের ধরপাকড় এড়ানো এবং আহমদ আবদুল কাদের এর মুক্তির জন্য ২২ বছরের জোট ত্যাগ করে দলটি। পহেলা অক্টোবর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে নেতারা সংগঠনের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin