শোকজের জবাব দিলেন ৩ চেয়ারম্যান

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটুক্তি করা তিন চেয়ারম্যান স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের করা শোকজের জবাব দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) বিকেলের দিকে তারা তিনজন পৃথকভাবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত আকারে জবাব জমা দিয়েছেন।

এর আগে ২৭ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান, সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন এবং সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বাবুলের বিরুদ্ধে কেন বেফাঁস বক্তব্য দেওয়ায় আইন অনুযায়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে নোটিশ প্রদান করা হয়। দশদিনের মধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মাধ্যমে এর জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব ফাতেমা তুজ জান্নাত তিন চেয়ারম্যানের দেওয়া জবাবপ্রাপ্তি সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি বলেন, তাদের জবাব মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তবে ওই তিন চেয়ারম্যান কি জবাব দিয়েছেন সে প্রসঙ্গে তনি কিছু বলতে রাজি হননি।

এরআগে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারী এক অনুষ্ঠানে দেলোয়ার হোসেন প্রধানমন্ত্রীকে হেয় করে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠে। চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ভোট নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। বলেছিলেন, নৌকা প্রতীকে নির্বাচন না করলে আরো বেশী ব্যবধানে জয় পেতাম।

তার এমন মন্তব্যের পর সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। আর ১২ ফেব্রুয়ারী এক ওয়াজ মাহফিলে চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বাবুল নিজেকে বারদীর ম্যাজিষ্ট্রেট দাবী করে তিনিও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করেন। তিনি বলেছিলেন, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নে যদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও আসেন তাহলেও অনুমতি লাগবে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এ চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমাকে কেউ টাকা দিয়ে কিনতে পারবে না। আমার এলাকাতে আমি ম্যাজিস্ট্রেট। আমি যা বলবো তাই হবে।

আমি যদি সুইচ অফ বলি তাহলে সেটাই হবে। প্রশাসন আমার পক্ষে কাজ করবে। কারও ফোনে প্রশাসন আসবে না। চিঠি পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লায়ন বাবুল জানান, চিঠি দিয়েছে।

আমার দল আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছে আগেই। আমিও আমার বক্তব্যের জন্য অনুতপ্ত। দল থেকে ক্ষমা করার যে চিঠি আমাকে দেয়া হয়েছিল, সেটাই আমি স্থানীয় সরকার বিভাগে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রেরণ করবো। এটা খুব বড় কোন ইস্যু নয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin