শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের তথ্য পাল্টে ‘এসএসসি পাশ’ করাতেন তারা

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের তথ্য পাল্টে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীকে “এসএসসি পাশ” করার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর মোহাম্মদপুর, রমনা ও চকবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নূর রিমতি, জামাল হোসেন, এ কে এম মোস্তফা কামাল, মো. মারুফ, ফারুক আহমেদ স্বপন, মাহবুব আলম ও মো. আবেদ আলী।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বলছে, এই চক্রের সদস্যরা প্রথমে ঢাকা বোর্ডসহ অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের তথ্য পরিবর্তন করে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের তথ্য সংযোজন করে। তারপর জাল সনদ তৈরির মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, “গ্রেপ্তার হওয়া নূর রিমতি ২০১৯ সালে রাজধানীর সিটি মডেল কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। সম্প্রতি ইতালি যেতে তার এসএসসি পাশের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয়। এ কারণে জাল সনদ তৈরির জন্য তার মামা জামাল হোসেন তিন লাখ টাকায় এ কে এম মোস্তফা কামালের সঙ্গে চুক্তি করেন। মোস্তফা কামাল শিক্ষা বোর্ডের দালাল মো. মারুফ, মাহবুব আলম, ফারুক আহমেদ স্বপন এবং আবেদ আলীর মাধ্যমে ২০১৯ সালে ধানমন্ডি কামরুননেছা গভঃ গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করা শিক্ষার্থী নূর তাবাসসুম সুলতানার জেএসসি ও এসএসসি পাসের সব তথ্য সংগ্রহ করেন। এরপর তারা নূর তাবাসসুমের জায়গায় নূর রিমতির সব তথ্য সংযোজন করতে শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ফরমেটে আবেদন করলে চক্রের সদস্যরা বোর্ডের ওয়েবসাইটের ফলাফল আর্কাইভে সংরক্ষিত কৃতকার্য শিক্ষার্থী নূর তাবাসসুমের তথ্য পরিবর্তন করে অকৃতকার্য শিক্ষার্থী নুর রিমতির তথ্য আপলোড করে জাল সনদ তৈরি করে। তথ্য পরিবর্তনের পর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নূর তাবাসসুমের জায়গায় নূর রিমতির তথ্য প্রদর্শিত হয়।”

তিনি আরও বলেন, “ভুক্তভোগী নূর তাবাসসুম সুলতানার মুঠো ফোনে গত ২১ আগস্ট শিক্ষা বোর্ডে দেওয়া মোবাইল নম্বরে জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য একটি খুদে বার্তা আসে। ওই বার্তায় তার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঠিক থাকলেও নিজের নাম ও পিতা-মাতার নামসহ জন্ম তারিখ পরিবর্তিত দেখতে পায়। তখন তারা স্কুল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করে পরিবর্তনের বিষয়টি জানতে পারেন। এ ঘটনায় ধানমন্ডি মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন তিনি। ওই মামলার তদন্তে এই চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।”

সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin