লকডাউনে চলাচলে দেখাতে হবে ‘মুভমেন্ট পাস’

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে ১৪ এপ্রিল (বুধবার) থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময় একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হওয়া যাবে না। আর যারা বাইরে যাবেন তাদের প্রয়োজন হবে মুভমেন্ট পাসের। এই পাস সরবরাহ করবে বাংলাদেশ পুলিশ। শুধুমাত্র জরুরি সেবার সাথে নিয়োজিত ব্যক্তিরা এই পাসের অনুমোদন পাবেন।

মোবাইলের অ্যাপসের মাধ্যমে মুভমেন্ট পাসের জন্য আবেদন করা যাবে। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) ‘মুভমেন্ট পাস অ্যাপস’ উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।
সোমবার (১২ এপ্রিল) সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে জরুরি সেবা ছাড়া, সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখা যাবে শিল্প কলকারখানা। ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এ লকডাউন চলবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।
এ কারণে চলাচলের জন্য যারা বাইরে বের হবেন তাদের মুভমেন্ট পাস দেখাতে হবে। জানা গেছে, পুলিশের আইসিটি উইংয়ের সমন্বয়ে চলবে মুভমেন্ট পাসের কার্যক্রম। শুধুমাত্র জরুরি পণ্য পরিবহন, সেবাদানসহ ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের যাচাই-বাছাই করে এই পাস দেওয়া হবে।
এছাড়া মুদি দোকানে কেনাকাটা, কাঁচা বাজার, ওষুধপত্র, চিকিৎসা চাকরি, কৃষিকাজ, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ, ত্রাণ বিতরণ, পাইকারি/খুচরা ক্রয় পর্যটন, মৃতদেহ সৎকার, ব্যবসা ও অন্যান্য ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে এই পাস। যাদের বাইরে চলাফেরা প্রয়োজন কিন্তু কোনো ক্যাটাগরিতেই পড়েন না তাদের ‘অন্যান্য’ ক্যাটাগরিতে পাস দেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করা হবে।
সড়কে কোথাও চলাচলের কারণে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলে এ পাস দেখালেই তার পরিচয় নিশ্চিত হয়ে যেতে দেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তির বাবা-মা/পরিবারের কেউ যদি অন্য জেলায় মারা যান, তবে তিনি অ্যাপের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে পাসের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন যৌক্তিক হলে মুহূর্তেই তিনি পাস পেয়ে যাবেন।

সূত্র: সময় নিউজ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin