রূপগঞ্জে এখন বালুর চাষ হচ্ছে :তৈমূর আলম খন্দকার

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, রূপগঞ্জে এখন বালুর চাষ হচ্ছে। মাছ ফসলের চাষ হয় না। বৃটিশরা যেভাবে দালাল সৃষ্টি করেছে তেমনিভাবে ভূমিদস্যুরা দালাল সৃষ্টি করেছে। দালালদের অত্যাচারে এলাকাবাসী তটস্ত্র। সাংবাদিক ছাড়া আমাদের আর সহযোগিতা করার কেউ নেই। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকাবাসীকে হয়রানি করে।

কায়েতপাড়া ইউনিয়নে জোরপূর্বকভাবে কৃষকের তিন ফসলি জমি বালি ভরাট করার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন।

২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে রূপগঞ্জের ভুক্তভোগী এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বার বার বলছেন তিন ফসলি জমি ভরাট করা যাবে না। জলাশয় ভরাট করা যাবে না। পুকুল খাল বিল ভরাট করা যাবে না। কিন্তু ভূমিদস্যুরা ইস্ট ওয়েস্ট ডেপলপমেন্ট কোম্পানীর আবাসন প্রকল্প করার নামে কায়েতপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকার তিন ফসলি জমি ভরাট করে ফেলেছে। সেকানের জমিগুলো খুবই উর্বর। তারা কৃষকের কাছ থেকে জমি কিনে নাই।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের কাছে দায়িত্ব দেয়া আছে এই জমিগুলো রক্ষা করার জন্য। জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করবো আপনি জমিগুলো রক্ষা করেন। কৃষকদের এই জমি না কিনেই ভূমিদুস্যরা দখল করছে। কৃষকদের পক্ষে কেউ দাঁড়াচ্ছে না। তাই এলাকার কৃষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন স্মারকলিপি দেয়ার জন্য। পরবর্তী সময়ে স্মারকলিপি অনুযায়ী কাজ না হলে আমরা দাবী আদায়ের জন্য গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সাংবিধানিক পদ্ধতি যা যা করার দরকার আমরা করবো।

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ তৈমূর বলেন, আপনি সবসময় বলেন ফসলি জমি ভরাট করা যাবে না। তারপরেও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি। প্রশাসন এ ব্যাপারে কোনো ভূমিকা পালন করে না। প্রশাসনকে নির্দেশ দেন যেন ভূমিদুস্যরা জমি দখল করতে না পারে। বৃটিশরা যেভাবে দালাল সৃষ্টি করেছে তেমনিভাবে ভূমিদুস্যরা দালাল সৃষ্টি করেছে। দালালদের অত্যাচারে এলাকাবাসী তটস্ত্র।

সূত্রঃ নিউজ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin