রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়ম সরকারই উদঘাটন করেছে: তথ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়ম সরকারই উদঘাটন করেছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন মন্ত্রী।

রিজেন্ট হাসপাতালে অনিয়মের পেছনে সরকারের মদদ রয়েছে বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের মন্তব্যের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, “সরকারি সংস্থা নিজেই ঢাকায় রিজেন্ট হাসপাতালের দু’টি শাখায় অভিযান ও মামলা করেছে, গণমাধ্যমের কোনো প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নয়। এরপর এবিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য আমি গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানাই।

“পত্রপত্রিকার রিপোর্টে দেখা যায়, সাহেদ করিম (রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ) বিএনপি আমলে হাওয়া ভবনের সাথে যুক্ত ছিলেন, এরপর দু’বছর জেলেও ছিলেন। রিপোর্ট অনুযায়ী কয়েক মাস আগেও যুবদলের নেতাকে সামনে রেখে সাহেদ যখন তারেক রহমানের সাথে স্কাইপে কথা বলেন, তখন সেটি কাদের মদদে ঘটে, মির্জা ফখরুলের কাছে প্রশ্ন।”

সাহেদকে যারা বিভিন্ন টিভি টকশোতে অংশ নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে তারাও দায় এড়াতে পারেন না বলেও মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।

“সাহেদকে যারা টকশোতে সুযোগ দিয়েছিলেন তাদেরও দায় রয়েছে, কারণ সে টকশোকে প্রতারণার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করত। সাহেদ প্রতারণার কাজে কখনও নিজেকে মেজর, কর্নেল, আওয়ামী নেতা বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা এমন নানা পরিচয় দিয়েছেন, যা সত্য নয়। আমরা তদন্ত করে দেখেছি, তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটিতে ছিলেন না।”

হাছান মাহমুদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন, দুর্নীতিবাজদের পরিচয়-বর্ণ যাই হোক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তারই অংশ হিসেবে সাহেদ ও এমন আরো প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।”

ইতালি থেকে বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বিএনপিনেতা রুহুল কবির রিজভী ‘বাংলাদেশের বিমানকে করোনা বোমা বলা হচ্ছে’ বলে যে মন্তব্য করেছেন সে প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “রিজভী সাহেবের এ বক্তব্য বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের বিরুদ্ধে।

“সমগ্র বিশ্বের কোনো দেশেই করোনার কারণে বিমান চলাচল এখনও স্বাভাবিক হয়নি, বাংলাদেশও করোনা আক্রান্ত বলে মনে হওয়া বিদেশি যাত্রীদের ফেরত পাঠিয়েছে।”

তথ্যমন্ত্রী প্রবীণ রাজনীতিক সাহারা খাতুনের মৃত্যুকে দেশের রাজনীতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সর্বজন শ্রদ্ধেয় অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহকর্মী ছিলেন।

“২০০৭ সালে শেখ হাসিনাকে কারাবন্দি করা হলে তার মুক্তির জন্য আইনী ও রাজনৈতিক লড়াইয়ে তিনি ওতপ্রোতভাবে ভূমিকা রাখেন। আওয়ামী লীগের সকল দুঃসময়ে তিনি বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন, অনেকবার কারাবরণ করেছেন।”

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin