রাতে ভালো ঘুমানোর ৪টি কার্যকারি উপায়

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

ঘুম অনেক কারণেই বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। স্ট্রেস, অতিরিক্ত কফি পানসহ আরো অনেক কিছুই ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলে। কিন্তু আমাদের সুস্থতা ও সুখী জীবন যাপনে ঘুম জরুরি বিষয়।

তাহলে একটা ভালো ঘুমের জন্য আপনি কী কী করতে পারেন?

.মেডিটেশন

আমাদের শরীর ও মন উভয়ের ওপরই মেডিটেশনের প্রভাব ইতিবাচক। এর নেতিবাচক চিন্তা ও অনুভূতির সাথে লড়াই না করে সেগুলিকে চিহ্নিত করা ও মেনে নেয়া যায়। যদি আগে কখনো মেডিটেশন না করে থাকেন, ইউটিউবে মেডিটেশন লিখে সার্চ দিন। ইন্টারনেটে সার্চ দিলে মেডিটেশন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। প্লেস্টোরে ইংরেজিতে মেডিটেশন লিখে সার্চ দিলে অনেক অ্যাপ পাবেন যেগুলি আপনাকে মেডিটেশন অভ্যাস করতে সাহায্য করবে।

ভালো ঘুম হওয়ার পাশাপাশি এই ব্যয়ামগুলির মাধ্যমে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা কমে আসে এবং জীবনে সুখ ও সন্তুষ্টি বাড়ে।

.নিজের প্রতি সহানুভূতি

এই লকডাউনে আমরা সবাই অন্যান্য সময়ের তুলনায় মানসিকভাবে বেশি অসুখী ও ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। একারণেই এ সময়ে নিজের প্রতি সহানুভূতি থাকা বেশি দরকার। নিজের দোষত্রুটি নিয়ে সবসময় হতাশ থাকলে বিষণ্ণতা আপনাকে পেয়ে বসবে। কোনো আনন্দও তখন উপভোগ করতে পারবেন না।

নিজের প্রতি সহানুভূতি থাকলে জীবনে উত্থান পতন যাই হোক, সবসময় নিজের প্রতি উদার থাকা যায়। কষ্টের সময় নিজের প্রতি উদারতা ও মানবতা দেখানো, “আমি পারর” নিজেকে এমনটা বোঝানো খুবই দরকার।

.কৃতজ্ঞতা

সম্পর্কগুলি দৃঢ় ও সুখকর করে তোলার ভালো উপায় হচ্ছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। এটি যে ভালো ঘুমাতেও সাহায্য করে তা একটি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।

কৃতজ্ঞতার কারণে আমরা ঘুমাতে যাওয়ার আগে জীবনের পজিটিভ দিকগুলিতে ফোকাস করতে পারি। মানসিক ভাবে চাপহীন থাকি। নেগেটিভ দিকগুলি নিয়ে মাথা ঘামাই না। তখন আমাদের ভালো ঘুম হয়। অর্থাৎ আমাদের ঘুমিয়ে পড়তে বেশি সময় লাগে না।

.ক্ষমা

ক্ষমা করা কঠিন হলেও এটা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো একটি চর্চা। ক্ষমা করলে আমাদের মনে জমে থাকা ক্ষোভ, রাগ ও অস্বস্তি কমে।

কাউকে ক্ষমা করে দিলে আমাদের আনন্দ ও আশা বাড়ে। একই সঙ্গে বিষণ্ণতা, উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমে। এতে অন্যদের সাথে বিশেষ করে ঘনিষ্ঠজনদের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরো ভালো হয়। এভাবেই ক্ষমা একটা ভালো ঘুমের নিশ্চয়তা দেয়।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাথা থেকে দুশ্চিন্তা এবং চাপ ঝেড়ে ফেলে দিন। দরকার হলে পরের দিনের জন্য রেখে দিন। কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে খারাপ লাগা থাকলে তা কাগজে লিখে ফেলুন। রুমে তাপমাত্রা ঠিক আছে কিনা দেখুন। রাতে হালকা খাওয়া-দাওয়া করুন। শাওয়ার নিতে পারেন প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে। তাতে রিফ্রেশিং ফিল করবেন, ঘুমও ভালো হবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin