যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলিতে নিহত ১৫০

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

যুক্তরাষ্ট্রে জুলাইয়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে ৪০০টি গোলাগুলির ঘটনায় ১৫০ জন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জুলাই) গান ভায়োলেন্স আর্কাইভের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।

যুক্তরাষ্ট্রে জুলাইয়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে ৪০০টি গোলাগুলির ঘটনায় ১৫০ জন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জুলাই) গান ভায়োলেন্স আর্কাইভের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।

শুক্রবার (২ জুলাই) থেকে রোববার (৪ জুলাই) ৭২ ঘণ্টায় এসব বন্দুক সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা এখনো আপডেট করছে সংস্থাটি।নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, নিউইয়র্কে সাধারণত বন্দুক সহিংসতা দেখা যায় না সেখানে ওই ৭২ ঘণ্টায় ২১টি বন্দুক সহিংসতায় ২৬ জন হামলার শিকার হয়েছেন।  গত বছর একই সময়ে ২৫টি ঘটনায় ৩০ জনকে গুলি করা হয়েছিল।গত ৪ জুলাই নিউইয়র্কে ১২টি জায়গায় গোলাগুলি হয়েছে। এতে ১৩ জন ভুক্তভোগী হয়েছেন।

গত বছর সেখানে আটটি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছিল, হামলার শিকারও হয়েছিল আটজন।নিউইয়র্কে এ বছর বন্দুক সহিংসতা ৭৬৭টি ঘটনায় হামলার শিকার হয়েছেন ৮৮৫ জন। গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে।

শিকাগোয় এ বছরের জুলাইয়ের শুরুটা একটি চ্যালেঞ্জিং সময় ছিল। সে সময় ৮৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে, এর মধ্যে মারা গেছে ১৪ জন। এসব ঘটনায় রোববার (৪ জুলাই) পাঁচ বছরের এক শিশু ও সোমবার (৫ জুলাই) ছয় বছরের আরেকটি শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছে।এ ছাড়া দুজন শিকাগো পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলা এক নৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। নিরপরাধ মানুষ কোনো কারণ ছাড়াই কিছু উন্মাদের গুলিতে প্রাণ হারাচ্ছে হরহামেশাই। কর্মক্ষেত্রে, হাউস পার্টিগুলোতে, বাইরের জনসমাগমে, রাস্তায় এবং বিনোদনকেন্দ্রলোতেও অহরহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটছে।মোটাদাগে ‘ম্যাস-শুটিং’ নামে পরিচিত এ ধরনের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর প্রতিকারে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি মার্কিন সরকার।করোনার কারণে লকডাউন সত্ত্বেও ২০২০ সালে দেশজুড়ে ৬১৪টি ম্যাস শুটিংয়ের ঘটনা ঘটে। আর ২০১৯ সালে ঘটেছিল ৪৩৪টি। কিন্তু ২০২১ সালে অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।অস্ত্র সহিংসতার গবেষক ও স্কুল অফ পাবলিক হেলথ কমিউনিটির হেলথ সায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক জননাথন জে বোস্টন মনে করেন, করোনার প্রাদুর্ভাব ও লকডাউনের প্রভাব অস্ত্র সহিংসতা বৃদ্ধির কারণ। অর্থনৈতিক হতাশা, মানসিক চাপ ও করোনায় প্রিয়জনকে হারানোর মতো বেদনা এবং শৈশব থেকে সহিংসতার সংস্পর্শে থাকা কিংবা পূর্বের কোনো আঘাত মানুষকে আরও হিংস্র করে তুলেছে।

সূত্রঃ সময় নিউজ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin