মৌলভীবাজারে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে কফি চাষ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

সিলেটের মৌলভিবাজারের চা বাগানিরা কফির এক সম্ভাবনাময় বাজার দেখতে পাচ্ছে,  তাই তারা কফি চাষের দিকে ঝুঁকছে দিন দিন।রাজনগর উপেজেলার মাথিউরা চা বাগানে ইতিমধ্যে ৪৪ একর,জমিতে কফি চাষ করা হচ্ছে।

সেই বাগানের সিনিয়র ম্যানেজার ইবাদুল হক বলেন,তারা ১০ হাজার প্রজাতির আরবীয় কফি চারা লাগিয়েছে তাদের বাগানে৷তারা এইগুলো পরিক্ষামূলক লাগিয়েছে এবং তারা ভালো ফলন ইতিমধ্যে লক্ষ্য করেছে।

জনাব,ইবাদুল আরো বলেন, সরকার চা বাগানে রাবার চাষ করা যেহেতু নিষেধ ঘোষণা করেছেন, তাই রাবারের বদলে কফি হতে পারে লাভজনক বিকল্প।

বাজারে চায়ের দাম কমছে নানা কারনে তার মধ্যে করোনা ভাইরাস মহামারি অন্যতম কারন, তাই শুধু চা চাষের উপর নির্ভর করে ব্যাবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন, তাই অর্থনৈতিকভাবে কফিই হতে পারে টেকসই বিকল্প।

এই অভিজ্ঞ চা-বাগানি আরো বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক যে বাংলাদেশে কোনো কফি প্রক্রিয়াজাত করণের কারখানা নেই কিন্তু কফির একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে এইখানে। তিনি উল্লেখ করেন,  তারা দুইভাবে কফি সংগ্রহ করেন, কাচা কফি এবং র্চূন করা কফি ।

কাচা কফি  মেশিনে ভাঙিয়ে নিতে হয় পান করার আগে ,আর র্চূন কফিটা যে কোন সময় কফি বানিয়ে পান করা যায়।  কাচা কফির একটা বড় বাজার আছে উভয় দেশ এবং বিদেশে। এটা বলা হয় যে, চা নিম্ন আয়ের মানুষেরা বেশি পান করে কিন্তু কফির দাম একটু বেশি হওয়াতে আর্থিকভাবে সচ্ছল যারা তারা কফি পান করে বেশি।অন্যদিকে, দেশে তরুনদের মাঝে কফির চাহিদা দিনে দিনে বাড়ছে।

আমাদের ১০ হাজার কফির চারা থেকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে আমরা কফি পাবো আশা করি, আর এই চারা গুলো পাঁচবছর আগে লাগানো। অভিজ্ঞ এই চা বাগান ম্যানেজার আরো বলেন ,’কফি ‘চাষিদের মনে নতুন আশা সঞ্চার করেছে।

মৌলভিবাজার কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদফতরের উপ- পরিচালককাজী ফজলুল বারি বলেন, এই জেলাতে কফি একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় পন্য হতে পারে, তবে এটা নির্ভর করে মাটির ভিন্নতা, পরিচর্চার উপর।৷ তিনি উল্লেখ করেন, কৃষি মন্ত্রি এই জেলার কফি চাষের সমম্ভনার ব্যাপারে অবগত আছেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin