মৌমিতা বাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগের পাহাড়

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নগরীর প্রানকেন্দ্র চাষাড়ার যানযটের মুল কারন স্কুল পড়ুয়া বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করলেও নির্দ্বিধায় বলে দিতে পারবে মৌমিতা বাসের কথা। সম্প্রতি নগরীর যাত্রী পরিবহনে বিষফোড়া হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে মৌমিতা পরিবহন।

চাষাড়ায় যানযট সৃষ্টি, মানহীন সেবা, ড্রাইভার হেলপারদের অসৌজন্যমূলক আচরণ, ট্রাফিক আইন ভঙ্গ সহ নানা অভিযোগ এই পরিবহনের বিরুদ্ধে। প্রতিদিন কেউ না কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মৌমিতা পরিবহনে ভ্রমণের তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। জনাব আনিস (ছদ্মনাম) পেশায় একজন বেসরকারি ব্যাংকার।

সকালে অফিসে যাওয়ার জন্য তিনি বাসেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। মৌমিতা বাসে ওঠে তিনি আবিষ্কার করেন সিটিং সার্ভিসের ভাড়া দিয়ে লোকালের চেয়েও জঘন্য সার্ভিস পাচ্ছেন। করোনাকালীন সময়ে সিটের অতিরিক্ত যাত্রী না তোলার বিধান থাকলেও গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করছে মৌমিতা পরিবহন।

যাত্রী পূর্ন হওয়া স্বত্বেও প্রতিটি স্টপেজে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে অফিসগামী যাত্রীদের বিড়ম্বনা বাড়াচ্ছে। রাহাত (ছদ্মনাম ) একজন অনার্স শিক্ষার্থী। প্রায়ই তার ঢাকা যেতে হয়। সাইনবোর্ডে প্রায়ই মৌমিতা বাস দাড় করিয়ে রাখা হয় যাত্রীর অপেক্ষায়। রাহাত প্রতিবাদ করলে তার সাথে খুবই বাজে আচরণ করে বাসের ড্রাইভার, হেলপার।

মৌমিতা নিয়ে নগরবাসীর অভিযোগের অন্ত নেই। ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের সাথে বাক-বিতন্ডা এমনকি হাতাহাতি, মারামারির অভিযোগ ও পাওয়া গেছে। রাতের ক্ষেত্রে মেট্রোহল পর্যন্ত যাওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ বাস ই সাইনবোর্ডের পর আর যেতে চায় না।

চাষাড়া এসেও এমন গড়িমসি করার অভিযোগ ও উঠে এসেছে মৌমিতার বিরুদ্ধে। যাত্রীদের আক্ষেপ এত অভিযোগ স্বত্বেও কিভাবে মৌমিতাকে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। কোন অজ্ঞাত কারনে প্রশাসন এখনো নীরব ভূমিকা পালন করছে তা বোধগম্য নয় যাত্রী-সাধারনের কাছে। অনতিবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান না করলে নগরবাসীই বাধ্য হয়ে এই সমস্যার সমাধানে মাঠে নামবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin