মেয়র আইভির টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারের মূল বক্তব্য

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের ৯৫ শতাংশ মানুষ মেয়র আইভীর সঙ্গে। নারায়ণগঞ্জবাসী মেয়র আইভীকে বিশ্বাস করে। তারা মনে করে মেয়র যেই কথা বলেছে প্রাণ দিয়ে হলেও তা রাখবে। নারায়ণগঞ্জের মানুষ জানে তাদের সেবার জন্যই আমি আমার জীবনকে উৎসর্গ করেছি।

শহরের ফুটপাতে শান্তিপূর্ণ হাঁটতে গিয়েই আমি আক্রমনের শিকার হয়েছিলাম। সেদিন আমি মারাও যেতে পারতাম। সরাসরি পিস্তল উঁচিয়ে মারতে আসলো। গুলি করলো। গুলিটা ভাগ্যক্রমে লাগে নাই তাই বেঁচে আছি। আমার বাবা আলী আহাম্মদ চুনকা পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকা সময়েই একটি হকার্স মার্কেট করেছিল। আমি তৎকালীন পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও ৬০০ হকারদের জন্য একটি মার্কেট করে দিয়েছিলাম। কিন্তু তার পরেও এখন শহরের ফুটপাতে হকার বসে।

যানজট, অবৈধ স্ট্যান্ড এবং যত্রতত্র পাকিং কে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের বড় সমস্যা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের বড় সমস্যা যানজট, অবৈধ স্ট্যান্ড এবং যত্রতত্র পাকিং। শহরটাকে একদম চেনা যায় না। মনে হয় না এটা একটি শহর। বাংলাদেশে একটি সমস্যা সমাধান করতে গেলে অনেকগুলো সংস্থার প্রয়োজন হয়। যে কোনো শহরের রাস্তা হলো সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার। ট্রাক, বাস স্ট্যান্ডগুলোও তাদের মানে স্থানীয় সরকারের আওতায় থাকে কিন্তু বাস, ট্রাক কার আন্ডারে থাকে? রোড পারমিট দেয় বিআরটিএ। রোড পারমিট দেয়ার আগে তারা জিজ্ঞাস করে না বাস স্ট্যান্ডের ধারণ ক্ষমতা কতটুকু! একটি শহরকে সাজাতে চাইলে সিটি গভার্নেন্স সবচেয়ে প্রয়োজনীয়।

সমস্যার সমাধান সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি সমস্যা সমাধান করতে গেলে অনেকগুলো সংস্থার প্রয়োজন হয়। যে কোনো শহরের রাস্তা হলো সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার। ট্রাক, বাস স্ট্যান্ডগুলোও তাদের মানে স্থানীয় সরকারের আওতায় থাকে কিন্তু বাস, ট্রাক কার আন্ডারে থাকে? রোড পারমিট দেয় বিআরটিএ। রোড পারমিট দেয়ার আগে তারা জিজ্ঞাসা করে না বাস স্ট্যান্ডের ধারণ ক্ষমতা কতটুকু! যদিও কমিটিতে নামে মাত্র রিপ্রেজেন্টেটিভ থাকছে, কিন্তু অনেক সময়ই তার কথা গ্রহণ করা হয়না। এখানে সমন্বয়ের অনেক বড় অভাব। একটি সিটিকে সাজাতে চাইলে সিটি গভার্নেন্স সবচেয়ে প্রয়োজনীয়।

মেয়র আইভী আরও বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর কারণে কদমরসুল ব্রিজের কাজ খানিকটা পিছিয়েছিল। একটি কোরিয়ান কোম্পানি এ কাজটি পেয়েছে। ঢাকা এলজিআরডি আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। একনেকে পাশ হয়েছে অনেক আগেই, এদিকে সার্ভের কাজটা প্রায় শেষ। ড্রয়িং ডিজাইনের কাজও একদম শেষের দিকে। আমাদের জমি একোয়ারের কাজ এখন চলমান। আশা করছি ২০২১ সালের মার্চের মধ্যে ভিত্তিপ্রস্তর করতে পারবো। এর মধ্যে আমাদের অন্যান্য কাজও শেষ হয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

মুজিব বর্ষ থাকাকালিন সময়েই এই প্রধানমন্ত্রীর হাতে এ সেতুর উদ্বোধন করাতে চান বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে মাছরাঙা টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নিজের সফলতার কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin