মেসির নৈপুণ্যে বার্সার দুর্দান্ত জয়

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

অধিনায়ক লিওনেল মেসি গোল করলেন ও করালেন। জালের দেখা পেলেন আক্রমণভাগের অন্য তারকারাও। নজরকাড়া পারফরম্যান্সে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শুরুটা দুর্দান্ত হলো বার্সেলোনার। ফেরেন্সভারোসের বিপক্ষে পুরোটা সময় দাপট ধরে রেখে প্রত্যাশিত জয় তুলে নিল রোনাল্ড কুমানের দল।

ক্যাম্প ন্যুয়ে মঙ্গলবার রাতে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে ৫-১ গোলে জিতেছে শেষের অনেকটা সময় একজন কম নিয়ে খেলা বার্সেলোনা। একটি করে গোল করেন মেসি, আনসু ফাতি, ফিলিপে কৌতিনিয়ো, পেদ্রি ও উসমান দেম্বেলে।

দীর্ঘ আড়াই দশক পর চ্যাম্পিয়নস লিগের মঞ্চে খেলতে নেমে ম্যাচের প্রথম উৎসবের উপলক্ষ প্রায় পেয়েই গেছিল ফেরেন্সভারোস। মাত্র ১০ মিনিটের মাথায় বল জালে প্রবেশ করান দলের ফরোয়ার্ড টকমাক এনগুয়েন। কিন্তু মাঝমাঠেই ধরা পড়েন অফসাইডের ফাঁদে। ফলে বাতিল করা হয় সেই গোল।

নিজেরা তো প্রথম গোল করতে পারেনিই, উল্টো ম্যাচের ২৭ মিনিটের সময় বার্সেলোনাকে গোলের সহজ সুযোগ উপহার দেয় তারা। ডি-বক্সের মধ্যে লিওনেল মেসিকে ফাউল করেন আদনান কোভাসেভিচ। সরাসরি পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক থেকে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেন বার্সা অধিনায়ক।

এরই সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ১৬ মৌসুমে ও দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে সবমিলিয়ে ১৬ মৌসুমে গোল করার অনন্য রেকর্ড গড়েন মেসি। এছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি ছিলো তার ১১৬তম গোল। সামনে রয়েছেন শুধুমাত্র ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

প্রথমার্ধের শেষদিকে আরেকটি গোল পায় বার্সেলোনা। ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় আক্রমণে এগিয়ে যান তরুণ তারকা আনসু ফাতি। সতীর্থের কাছ থেকে ফিরতি বল পেয়ে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান ১৭ বছর বয়সী এ ফরোয়ার্ড। এ গোলের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১৮ বছর হওয়ার আগে দুই গোল করার রেকর্ড গড়লেন ফাতি।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে মাত্র সাত মিনিটের মধ্যে স্কোরলাইন ৩-০ করে দেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ফিলিপ কৌতিনহো। এই গোলের উৎসও বলা যায় মেসি। ডি-বক্সের মধ্যে ঢুকে বুদ্ধিদীপ্ত পাসে ফাতিকে বল এগিয়ে দেন মেসি। পরে ফাতি আবার সময় নষ্ট না করে সামনে বাড়িয়ে দেন কৌতিনহোর উদ্দেশ্যে। আলতো ছোঁয়ায় সেটি জালে জড়ান কৌতিনহো।

এরপর এক গোল হজম করতে হয় বার্সাকে। ম্যাচের ৬৮ মিনিটের সময় ডি-বক্সের মধ্যে প্রতিপক্ষ স্ট্রাইকার এনগুয়েনকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন জেরার্ড পিকে। যার ফলে জুভেন্টাসের বিপক্ষে পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন না তিনি। এই ফাউল থেকে পাওয়া পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করে ফেরেন্সভারোস।

তবে এরপর আবার জোড়া গোল হজম করে অতিথিরা। ৮২ মিনিটের সময় ওসুমানে দেম্বেলের এসিস্টে পেদ্রি এবং ৮৯ মিনিটের সময় মেসির এসিস্টে ওসুমানে দেম্বেলে গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন। এ নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের ঘরের মাঠে সবশেষ ৩৭ ম্যাচে অপরাজিত থাকল বার্সেলোনা।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin