মেধাবিকশে সাহিত্যচর্চার বিকল্প নেই

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

সাহিত্য বলতে আমরা সহজ ভাষায় সাধারণত লেখালেখি করা গল্প উপন্যাস সহ বিভিন্ন রকম বই পড়াকে বুঝি। সাহিত্য হচ্ছে মেধা বিকাশের বিশাল সমুদ্র। সাহিত্য হচ্ছে এমন কোনো লেখনী, যে লেখায় শিল্প বা বুদ্ধিমত্তার আঁচর খুঁজে পাওয়া যায়। জাগতিক বা মহাজাগতিক চিন্তা চেতনা, অনুভূতি, সৌন্দর্য ও শিল্পের লিখিত বা বাস্তব জীবনের অনুভূতিই হচ্ছে সাহিত্য।

সাহিত্যকে সাধারণ ক্ষেত্রে দুইভাগে ভাগ করা যায়। পদ্যের মধ্যে ছোটদের জন্য ছড়া বড়দের জন্য কবিতা। গদ্যের মধ্যে উপন্যাস কিংব গল্প কাহিনি কিংবা বাস্তব জীবনের এমন কোন লেখা যা মানুষের মগজে গেঁথে থাকে। সাহিত্য হচ্ছে হচ্ছে শব্দ প্রয়োগের ছান্দসিক কিংবা অনিবার্য ভাবের বাক্য বিন্যাস। যা একজন কবির আবেগ-অনুভূতি, উপলব্ধি ও চিন্তা চেতনার রুপ এবং তা অতি অবশ্যই উপমা-উৎপ্রেক্ষা-চিত্রকল্পের সাহায্যে আন্দোলিত সৃষ্টির উদাহরণ।

যুগে যুগে কবিরা কবিতার বৈশিষ্ট্য ও কাঠামোতে পরিবর্তন এনেছেন। কবিতা সাহিত্য শিল্পের মহত্তম শাখা হিসেবে পরিগণিত। এর আয়তন প্রকারের উপর নির্ভরশীল।কবিতা সাহিত্যের আদিমতম শাখা। মহাজাগতিক চিন্তা চেতনা, ।অনুভূতি, সৌন্দর্য ও শিল্পের লিখিত বা বাস্তব জীবনের অনুভূতি হচ্ছে সাহিত্য।

আমাদের সুন্দর বাচন ভঙ্গি, চমৎকার ভাষার অলংকার এর সবই সাহিত্যের অবদান। পণ্যের প্রচারে, বিজ্ঞাপনে সৃজনশীল সাহিত্যের প্রকাশ ও ব্যবহার আমরা হরহামেশাই দেখতে পাই। সাহিত্যকর্ম সে গল্প, কবিতা, উপন্যাস যাই হোক না কেনো তা মানুষের অন্তরের অনুভূতিকে প্রকাশ করে। সমাজের মূল্যবোধ, সমসাময়িক সকল চিন্তার সৃজনশীল প্রকাশের মাধ্যম হলো সাহিত্য। তাই মানব জীবনে সুস্থ রুচিশীল সাহিত্যের ভূমিকা অপরিহার্য।

লেখকঃ টিটু প্রধান

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin