মাঠ পর্যায়ে ভোটের প্রস্তুতিতে আওয়ামী লীগ

শেয়ার করুণ

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। দল ও সহযোগী সংগঠনকে তৃণমূল পর্যন্ত সুসংগঠিত করার পাশাপাশি নির্বাচনকেন্দ্রিক কাজগুলো এগিয়ে নিচ্ছে দলটি।

মঙ্গলবার সভাপতিমণ্ডলির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সিনিয়র ও কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে গঠিত ৮ বিভাগের জন্য ৮ সাংগঠনিক কমিটিকে আবারো মাঠে নামার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এ বছরই সব জেলা-উপজেলার সম্মেলন শেষ করতে বলেছেন তিনি। তার লক্ষ, অভ্যন্তরীণ বিরোধ মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটের মাঠে থাকা।

নির্বাচনকে সামনে রেখে অপপ্রচারের জবাব দিতে ও উন্নয়ন প্রচারে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এছাড়া দলীয় প্রার্থী বাছাই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু না হলেও বিভিন্ন জরিপ এবং তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ভেতরে ভেতরে এ কাজ এগিয়ে রাখছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটিতে নাম প্রস্তাব করেছে রাজনৈতিক দল। কারা হচ্ছেন পরবর্তী কমিশনার, এ নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

তবে নতুন ইসিতে যারাই আসুক, তাদের অধীনেই ভোটে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ।

দেশের ৭৮ সাংগঠনিক জেলার মধ্যে সম্মেলন বাকি ৪৬টির। এখনো সম্মেলন হয়নি আড়াইশোর বেশি উপজেলায়। চলতি মাস থেকেই সেসবের সম্মেলন শুরুর নির্দেশনা পেয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকেরা।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্লেন (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান বৃহস্পতিবার বিকেলে বলেন, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সব সময় নির্বাচনের পক্ষে। ইতোমধ্যে আমাদের নির্বাচনি ইশতেহার তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের দলের নেতারা সুশীল সমাজ, যুবক-তরুণ ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষদের কথা শুনছেন। তারা দেশটাকে কীভাবে দেখতে চায়, সেই তথ্যগুলো আমরা নিচ্ছি। এগুলো নির্বাচনি ইশতেহারে থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

করোনা সংক্রমণ কমার সঙ্গে সঙ্গে দলের নেতাদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে অপপ্রচার এবং সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন দলীয় প্রধান। দলের কার্যক্রম গতিশীল করতে ২০২০ সালের অক্টোবরে দেশের আট বিভাগের জন্য আটটি সাংগঠনিক টিম গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটিগুলোকে আরো তৎপর হওয়ার তাগিদ দেন দল প্রধান।

দেশের অর্ধেক মানুষ টিকা পাওয়ায়, সেসব সম্মেলন করায় বড় কোনো সমস্যা দেখছেন না আওয়ামী লীগ নেতারা।

নিউজটি শেয়ার করুণ