মহিলা কলেজে এইচএসসির অ্যাসাইনমেন্ট জমাদানে ভোগান্তি, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

শেয়ার করুণ

করোনা মহামারীর কারনে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে প্রায় দেড় বছর হতে চললো। করোনার কারনে স্থগিত আছে স্কুল-কলেজের পাবলিক পরীক্ষাগুলো। শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার মাঝে রাখতে এবং প্রস্তুতি নেয়ার সহায়তার জন্য উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড নিয়মিত অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে যাচ্ছে। সরকার শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে অ্যাসাইনমেন্ট জমার নির্দেশনা দিলেও মানা হয়নি জেলার অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ সরকারী মহিলা কলেজে। ভোগান্তি, অব্যবস্থাপনা আর চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

গতকাল সোমবার (৯ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনকের বার্তাকক্ষে একাধিক শিক্ষার্থী এবং অবিভাবক ফোন দিয়ে এই ভোগান্তির কথা জানান। নুসরাত (ছদ্মনাম) নামে এক শিক্ষার্থী জানান আজ লকডাউনের মাঝেই ব্যবসা শিক্ষা বিভাগের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেয়ার কথা ছিল। ৪ টি বিষয়ের জন্য ৪ টি জায়গা নির্ধারিত ছিল। প্রতিটি লাইনে ছিল কমপক্ষে হাযারের বেশি ছাত্রী। চরম অব্যবস্থাপনা আর স্বাস্থ্যঝুকি উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘক্ষন লাইনে দাড় করিয়ে রেখে অ্যাসাইনমেন্ট জমা নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। অনেক শিক্ষার্থীকে বেলা ১১ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে বলে জানান এই শিক্ষার্থী।

আতিয়া (ছদ্মনাম ) নামে আরেক শিক্ষার্থী জানান অব্যস্থাপনা আর অবহেলার মাধ্যমে আজ অ্যাসাইনমেন্ট জমা নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। শিক্ষকদের পরিবর্তে দারোয়ান, আয়া আর ড্রাইভারদের নিয়ে খাতা জমা নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

একজন অবিভাবক নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনকে জানান, সরকার যে স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে সেই স্বাস্থ্যবিধিই উপেক্ষিত এই কলেজে। কলেজের এই অব্যবস্থাপনার মাশুল না কত ছাত্রীকে দিতে হয়। একটু আন্তরিক হলেই এই ঝুকি তারা এড়াতে পারতেন। জমা দেয়ার জায়গা বাড়ালেই এই মস্যার সমাধান হয়ে যায়। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় কোন শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত হলে বা মৃত্যু ঘটলে এর দায়ভার কে নিবে? আমি এই ব্যপারে জেলা প্রশাসক এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুণ