মহামারিতেও বিশ্বে ৫২ লাখ মিলিয়নিয়ার বেড়েছে

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনা মহামারি চলাকালে বিশ্বে অধিকাংশ মানুষের সম্পদের পরিমাণ কমেছে। আয়ের পথ বন্ধ হয়ে আরও দরিদ্র হয়েছে স্বল্প আয়ের মানুষ। উল্টোদিকে কিছু মানুষের কাছে সম্পদের পরিমাণ বেড়েই চলছে। এতে প্রকট হয়েছে সম্পদের ব্যবধান। এ সময়ে বিশ্বে প্রায় ৫২ লাখ মিলিয়নিয়ার বেড়েছে। আর তাদের কারণে বেড়েছে শেয়ার ও বাড়ির দাম।


বার্ষিক ক্রেডিট সুইস গ্লোবাল ওয়েলথ প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ খবর জানায় দ্য গার্ডিয়ান। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদের হার হ্রাস ও সরকারের দেয়া প্রণোদনার কারণে কিছু মানুষ উপকৃত হয়েছে। অর্থনৈতিক মন্দার পরেও এসব সহযোগিতার কারণে তাদের সম্পদের বৃদ্ধি ঘটেছে। ফলে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অতিধনীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশের বেশি।


পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২০ সালে ৫ কোটি ৬১ লাখ মানুষের সম্পদের পরিমাণ ৭২ কোটি পাউন্ডের বেশি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্পদের বৈষম্য বেড়ে যাওয়ার একমাত্র কারণ মহামারি নয়। যাদের আয় আগে থেকেই কম ছিল তারা চাকরি হারানোসহ নানা সমস্যার মুখে পড়েছে। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে তাদের উপার্জন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

কভিড-১৯ মহামারির প্রভাবের কারণে সম্পদের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৈষম্য তৈরি হয়েছে। ফলে ২০১৬ সালের পর এবারই প্রথম বিরাট ব্যবধানে বৈষম্য দেখা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বিশ্বে নতুন যে ধনী শ্রেণির সৃষ্টি হয়েছে, তার এক-তৃতীয়াংশই যুক্তরাষ্ট্রের। ৫২ লাখ নতুন ধনীর মধ্যে ১৭ লাখ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এর পরেই আছে জার্মানি। তাদের নতুন ধনীর সংখ্যা ৬ লাখ ৩৩ হাজার।


এ তালিকায় ৪১ হাজার ৪২০ জন অতিধনী যুক্ত হয়েছে, যাদের প্রত্যেকের সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি ডলারের বেশি। ২০১৯ এর তুলনায় এ শ্রেণির ধনীর সংখ্যা বেড়েছে ২৪ শতাংশ। ১৭ বছরের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় উল্লম্ফন। সব মিলিয়ে এখন বিশ্বে অতিধনীর সংখ্যা ২ লাখ ১৫ হাজার ৩০ জন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin