মসজিদ ট্রাজেডিতে ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষে লড়ে যাবোঃ তৈমুর

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, শেষ নিঃশ্বাস থাকা পর্যন্ত ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাবো। এত বড় দায়িত্বহীনতা এত বড় অন্যায় মেনে নেয়া যায় না।

১২ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। ওই বিবৃতিতে তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের আত্মীয় স্বজন আমার সাথে যোগযোগ করছে। আমি তাদেরকে আশ^স্ত করছি আমার নিঃশ্বাস থাকা পর্যন্ত তোমাদের ক্ষতিপূরণ আদায়ে আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাবো। আমি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবো।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের কোন ডিপার্টমেন্টে মানুষ ঘুষ ছাড়া কাজ করতে পারে না। সংবিধানে বলা আছে জনগণ এদেশের মালিক। আর সরকারি আমলারা এদেশের জনগণকে চাকর বানিয়েছে তারা হয়ে গেছে মালিক। এই মালিকানা আমরা দেখে নিব। এভাবে চলতে পারে না।

প্রসঙ্গত, বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও দগ্ধদের প্রত্যেকের পরিবারকে প্রাথমিকভাবে পাঁচ লাখ টাকা করে দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আগামী সাতদিনের মধ্যে এই টাকা দিতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশ দেন। এই টাকা নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিতে হবে। জেলা প্রশাসক এসব টাকা বিতরণ করবেন।

সেই সাথে নিহত ও আহতদের ৫০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, তা-ও জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় সচিব, গণপূর্ত সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ, রাজউক চেয়ারম্যান, ডিসিডিসি, ডেসকো, মসজিদ কমিটি, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক, এসপিসহ ১৩ জন বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, ব্যারিস্টার মার-ই-য়াম খন্দকার। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল নূর উস সাদিক। ওই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকা-ের ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও দগ্ধদের প্রত্যেকের পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মার-ই-য়াম খন্দকার।

এরপর অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার রিটটি বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে উত্থাপন করেন। আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য গত মঙ্গলবার দিন ধার্য করে। শুনানি শেষে উপরোক্ত আদেশ দেয়।

প্রসঙ্গত, গত ৪ সেপ্টেম্বর ফতুল্লার পশ্চিমতল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটনায় দগ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে জাতীয় শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে ৩১ জন মারা গেছেন। আর বাকীদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

সুত্রঃ নিউজ নারায়াণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin