ভেঙে ফেলা হচ্ছে মহানগর ফিলিং স্টেশন

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত মহানগর ফিলিং স্টেশন নামে সেই পেট্রলপাম্পটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাতিলের দাবিতে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে ১৯৯৮ সালের ৯ জুন লংমার্চ করেছিল বিএনপি। আলোচিত সেই লংমার্চটি ঠেকাতে আগের দিন ৮ জুন রাত ৮টার পর থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে শিমরাইল পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার এলাকায় অবস্থান নেন আওয়ামী লীগ কর্মীরা। তারা রাস্তার পাশের গাছ কেটে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন পরিবহণের চাকার পাম্প ছেড়ে দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেন।

চট্রগ্রাম, কক্সসবাজার, সিলেট, কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ পূর্বাঞ্চলের প্রায় ৩৮টি রুটের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ওই রাতে রাস্তায় আটকেপড়া যাত্রীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ আর ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

পরের দিন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সেই লংমার্চটি নারায়ণগঞ্জে এসে সেই সময়ের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়।

এ সময় আওয়ামী লীগ নেতাদের বাধার কারণে সাইনবোর্ডে মহানগর ফিলিং স্টেশন নামে ওই পেট্রলপাম্পে অবস্থান নেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলের সিনিয়র নেতাকর্মীরা।

খবরটি সেই সময়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়াতেও ফলাও করে প্রচার হয়। বিকালের পর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা পিছু হটে। একপর্যায়ে সেদিন রাত ৭টার পর পুলিশ গাছের গুঁড়ি সরিয়ে ফেললে যান চলাচল শুরু হয়।

এ ঘটনার পর থেকে খালেদা জিয়া যতবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে কোনো জেলায় সফরে গেছেন, ততবারই তিনি তার গাড়িবহর থামিয়ে সাইনবোর্ডের মহানগর ফিলিং স্টেশনে গিয়ে সেখানকার স্টাফদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আসতেন।

তিন দশক পুরনো সেই মহানগর ফিলিং স্টেশনটি এখন ভেঙে ফেলা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটির বিপরীত দিকে অবস্থিত রঙধনু নামে আরও একটি পেট্রলপাম্পও ভেঙে ফেলা হচ্ছে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডটি চার লেন থেকে ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের জন্য পেট্রলপাম্পটি ভাঙা হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

সূত্রঃ যুগান্তর

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin