বোনের লাশ কাধে নিতে না পারার আক্ষেপ কাউন্সিলর খোরশেদের

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ যতটা না পরিচিত কাউন্সিলর হিসেবে তার থেকেও বেশী পরিচিত একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে, একজন করোনা হিরো হিসেবে। করোনার কঠিন সময়ে মানুষকে সচেতন করা, অক্সিজেন সরবরাহ, প্লাজমা দান এবং করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরনকারীদের গোসল এবং দাফন করে মানুষের মন জয় করেন এই জনপ্রতিনিধি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের চেনা অচেনা অসংখ্য মানুষের লাশের খাটিয়া খোরশেদের কাধে উঠলেও নিজের বোনের জানাযায় শরীক থাকতে না পারার আক্ষেপ পুড়িয়েছে কাউন্সিলর খোরশেদকে।

আজ মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) নিজের ফেসবুক একাউন্টে খোরশেদ নিজের আক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। খোরশেদ বলেন, চেনা নাই- জানা নাই,দিন নাই-রাত নাই কত মানুষের লাশ কাধে নিলাম কিন্তু আজ আপন বোনের লাশটা কাধে নিতে পারলাম না শুধুমাত্র ধর্মের লেবাসধারী ধর্ম ব্যাবসায়ী পেশাদার এক প্রতারকের কারনে।

এই জন প্রতিনিধি আরো বলেন, দেশে বিচার আছে, কিন্তু ন্যায় বিচার না থাকার কারনে আজ এই অবস্থা।এই শহরে কত বিবেকবান শুশীল মানুষের বিচরণ,হাতে গোনা গুটি কয়েক মানুষ ছাড়া সত্য উদঘাটনের জন্য কেউ চেষ্ঠাও করলো না ।কত শুলীল নির্বাচন আর রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে টিপন্নী কাটতেও দ্বিধা করলো না।নিশ্চয়ই এই কষ্টের কারন আমি নিজেই।আমার অবস্থানে থাকা মানুষের এতটা সরল চিন্তা করলে চলে না।আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন অবশ্যই ন্যায় বিচারক। নিশ্চয়ই আমার ও আমার পরিবারের বর্তমান অবস্থার মধ্যে কোন মংগল আছে। সব শেষে তিনি তার বোনের ও পরিবারের জন্য সকলের নিকট দোয়া চান।

উল্লেখ্য গতকাল কাউন্সিলর খোরশেদের মেজ বোন আজমেরী খন্দকার মারা যান। আজ স কাল ১০ টায় মাসদাইর বাজার জামে মসজিদে জানাযা শেষে মরহুমাকে গ্রামের বাড়ী রূপসী নিয়ে যাওয়া হয় দাফনের জন্য।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin