বেড়েই চলেছে ধর্ষন,না.গঞ্জে এক ঘরে ২ বোনকে ধর্ষণ, ২২ ধারায় জবানবন্দী

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

প্রেমের পর বিয়ের আশ্বাস। কৌশলে ডেকে নিয়ে এক ঘরে ‘ধর্ষিতা’ হওয়ার বর্ণনা দিয়েছে ছাত্রী। তাদের দু’জনেরই বয়স ১৩ বছরের কম ও সর্ম্পকে তারা মামাতো, ফুফাতো বোন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন্নাহার ইয়াসমিমের আদালতে ২২ ধারায় সেই জবানবন্দী রেকড করা হয়।

অভিযুক্তরা হলেন- জয় মিয়ার ছেলে রিফাত (১৯) ও রমিজ উদ্দিন ওরফে রমু’র ছেলে রিফাত (১৯)। তারা দু’জন একে অপরের বন্ধু। বন্দর থানার ফুলহর এলাকার বাসিন্দা।

দুই বোন জানান, ২ মাস পূর্বে রিফাত নামের ওই দুই যুবকের সাথে পরিচয় হয়। এরপর মুঠোফোনে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। ২১ সেপ্টেম্বর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ২ বোনকে নবীগঞ্জে আসতে বলে। পরে নবীগঞ্জের একটি বাড়িতে ১৫০০ টাকার বিনিময়ে ঘর ভাড়া নিয়ে উঠেন। সেখানেই দুই বন্ধু মিলে দুই বোনকে ধর্ষণ করেছেন। এরপর আরও দু’দিন সেখানে বিয়ে ছাড়াই অবস্থান করেছেন। এরপর জয় মিয়ার ছেলে রিফাতের মা হওয়ার বেগমের কাঁচপুরের বাড়িতে রেখে এসেছেন দুই মেয়েকে।

ঘটনাটিতে পৃথক দু’টি ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে বন্দর থানায়। আজ সেই মামলায় বিজ্ঞ আদালতে ২২ ধারা জবানবন্দি দিয়েছেন ভিকটিমেরা। তবে, এই মামলার ২ আসামী এখনো পলাতক রয়েছে।

জবানবন্দীর ব্যাপারটি নিশ্চিত করে কোর্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. কামাল হোসেন বলেন, বন্দরের পৃথক দুইটি মামলায় ২ ভিকটিম আজ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন্নাহার এর আদালতে এই জবানবন্দি দিয়েছেন।

এবিষয়ে বাদী মো. জহীর বলেন, দুই মাস আগে কোন এক বিয়ের অনুষ্ঠানে আসামিদের সাথে পরিচয় হয় আমার মেয়ে ও ভাগ্নির সাথে। সে থেকে তার মধ্যে ফোনের মাধ্যমে ওই যোগাযোগ ছিল। সেই সূত্র ধরে ওই আসামিরা আমার মেয়ে ও ভাগ্নিকে বিবাহের আশ্বাস দিয়ে কৌশলে তাদের নিয়ে যায়। এরপর তাদের ধর্ষণ করে রিফাতের মা হাওয়া বেগমের বাসায় এনে রেখে তারা পালিয়ে যায়।

সূত্রঃ লাইভ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin