বেতনে সংসার চলে না, পদত্যাগ করতে চান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী তিনি। কিন্তু বেতন যা পান, তাতে কুলোচ্ছে না। তাই পদত্যাগের চিন্তাভাবনা করছেন বরিস জনসন। ঘনিষ্ঠ মহলে নিজেই নাকি সে কথা জানিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম অন্তত এমনটাই দাবি করছে। আগামী বসন্তের মধ্যে বরিস এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতে পারেন বলে দাবি তাদের।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বছরে এক লাখ ৫০ হাজার ৪০২ পাউন্ড বেতন পান বরিস। কিন্তু গত বছর জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে তার চেয়ে বেশি রোজগার করতেন তিনি। তাই পুরোনো পেশাতেই তিনি ফিরে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন বলে জানা গেছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে শুধুমাত্র পত্রিকায় লিখেই মাসে প্রায় ২৩ হাজার পাউন্ড আয় করতেন তিনি। তা ছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেও আলাদা আয় ছিল তাঁর। এমনকি এক বার এক মাসে তিনি এক লাখ ৬০ পাউন্ডও আয় করেছিলেন।

এজন্য পদত্যাগ নিয়ে বরিস ভাবনা চিন্তা শুরু করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে হোয়াইট হল সূত্রে খবর, এখনই পদত্যাগ করার কথা ভাবছেন না বরিস। ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান তিনি। একইসঙ্গে করোনা পরিস্থিতি থেকে দেশকে বার করে আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। তাই কমপক্ষে আরও ছয় মাস অপেক্ষা করতে চান তিনি।

বরিসের পদত্যাগ নিয়ে প্রশ্ন করলে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এক এমপি জানান, কমপক্ষে ছয় সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব রয়েছে বরিসের কাঁধে। তাঁদের পড়াশোনার খরচও দিতে হয় তাঁকে। ভরণপোষণ দিতে হয় প্রাক্তন স্ত্রী মারিনা হুইলারকেও। ওই বেতনে সব কিছু সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অন্যান্য এমপিদের মতে, আসলে পূর্বসুরি টেরেসা মে, ডেভিড ক্যামেরন এবং টনি ব্লেয়ারদের দেখে হিংসে হচ্ছে বরিসের। প্রধানমন্ত্রী পদে পদত্যাগ করার পর বক্তৃতা পিছু ১০ লাখ পাউন্ড আয় করেন টেরেসা। ডেভিড ক্যামেরন বক্তৃতা পিছু ১ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড আয় করেন। বক্তৃতা করে এবং পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করে ইতিমধ্যে ২ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের সম্পত্তি করে ফেলেছেন টনি ব্লেয়ার।

খবর: আনন্দবাজার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin