বিমানবন্দরে দুটি স্ক্যানারই নষ্ট, ভরসা এখন কুকুর

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে দুটি এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন স্ক্যানার (ইডিএস) পাঁচ দিন ধরে বিকল হয়ে আছে। এতে ইউরোপে ৫০ মেট্রিক টন সবজি রপ্তানি করা যায়নি। ফলে ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা লোকসান গুনেছেন ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই জানিয়ে ২০১৬ সালের ৮ মার্চ দুই দেশের মধ্যে কার্গোবাহী সরাসরি ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য। পরে তাদের পরামর্শে নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়নে ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান রেডলাইন অ্যাসিউর্ড সিকিউরিটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বিকল্প হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডগ স্কোয়াডের কুকুর দিয়ে ইউরোপে রপ্তানিযোগ্য সবজিসহ বিভিন্ন পণ্যের নিরাপত্তা তল্লাশি এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন বাই ডগ (ইডিডি) করানো হচ্ছে। প্রক্রিয়াটি ধীরগতির হওয়ায় বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে পণ্যের জট সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই জানিয়ে ২০১৬ সালের ৮ মার্চ দুই দেশের মধ্যে কার্গোবাহী সরাসরি ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য। পরে তাদের পরামর্শে নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়নে ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান রেডলাইন অ্যাসিউর্ড সিকিউরিটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। তারই অংশ হিসেবে শাহজালাল বিমানবন্দরে রপ্তানিমুখী কার্গো পণ্য তল্লাশিতে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি দুটি ইডিএস বসানো হয়। সব মিলিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থার অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট হয়ে ২০১৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ থেকে কার্গোবাহী সরাসরি ফ্লাইট চলাচলে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে যুক্তরাজ্য।

সূত্রঃপ্রথম আলো

কমল জোহা খান

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin