বিপাকে মাসদাইরের অধিকাংশ বাড়ির মালিক

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

কোরনার ছোবলে মাসদাইরের অধিকাংশ বাড়িভাড়া ব্যাবসা নীল, বিশ্বব্যাপী চলমান কোরনা পরিস্থিতির কারনে, কম বেশি সকল ব্যাবসায়ীদের ক্ষতি হয়েছে।নারায়ণগঞ্জ এর একটি অন্যতম জনপ্রিয় আয়ের উৎস হচ্ছে বাড়ি -ভাড়া ব্যাবসা।  দেশের তৈরী পোশাক এর  একটি বড় অংশ প্রস্তুত হয় নারায়ণগঞ্জ থেকে,তাই কাজের জন্য আসা দেশের নানা প্রান্ত  থেকে কাজ করতে আসা মানুষের থাকার জায়গার যোগান দেওয়ার মাধ্যমে গড়ে উঠেছে বিশাল এই বাড়ি-ভাড়া ব্যাবসা।  মাসদাইর এলাকাটি  নারায়ণগঞ্জ বিসিক শিল্প নগরীর কাছে হওয়াতে, প্রচুর পোশাক কর্মী বসবাস করে এই এলাকাতে। গত দুই দশকে এই এলাকার স্থানীয় মানুষের উর্পাজন মূলত বাড়িভাড়া নির্ভর। 

এই বছরের ১৭ মার্চ সারাদেশ ব্যাপী লক ডাউন ঘোষণা ও বিশ্ব কোরনা পরিস্থিতি  খারাপ হওয়াতে অনেক ছোট – মাঝারি গার্মেন্টস গুলো অর্ডার শূন্য হয়ে পড়ে ফলে শ্রমিক ছাটাইকরণ শুরু হয়,তাই কর্মহীন হয়ে পড়া কর্মীরা নিজ গ্রামে চলে যায়।  এতে করে খালি হতে থাকে বাড়ি গুলো।  

বিবিসি ডট কমের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট রাপ্তানি আয়ের ৮৩% আসে গার্মেন্টস শিল্প থেকে,বর্তমানে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি করা হয়। বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বা বিজিএমইএ বলছে এখন পর্যন্ত বিদেশী ক্রেতারা  মার্চ-এপ্রিল মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের অর্ডার বাতিল করেছে যাতে প্রায় ২০ লাখের বেশি শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মাসদাইর এলাকাটিতে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা এই বাড়িভাড়া ব্যাবসার ধস এর আগে কবে হয়েছিলো তা অনুমান করা কঠিন,এর মাঝে নতুন অনেক বাড়িওয়ালা  ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বাড়ি করেছিলেন এখন বাড়াটিয়া শূন্য হওয়াতে বিপাকে পড়েছে তারা।  

পোশাক তৈরীর প্রতিষ্ঠান গুলো কোরনার প্রাদুর্ভাবে হারানো জলুশ  ফিরে না পেলে, এই এলাকার মানুষের বিকল্প আয়ের পথ খুঁজতে হবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin