বিদ্যালয়ের ছাদ থেকে সিল মারা ৫২৭টি ব্যালট পেপার উদ্ধার!

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ভোটগ্রহণের আট দিন পর একটি বিদ্যালয়ের ছাদে সিল মারা ৫২৭টি ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে। শনিবার (২০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের সেহরাতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদ থেকে সিল মারা তালগাছ প্রতীকের ব্যালটগুলো উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা জানায়, গত ১১ নভেম্বর উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নে দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে তালগাছ প্রতীকের নারী সদস্য প্রার্থী বিউটি আক্তার ৩০০ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। নির্বাচনের আট দিন পর সকালে ইউনিয়নের সেহরাতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে শিশু শিক্ষার্থীরা খেলতে গিয়ে ব্যালট পেপারগুলো দেখতে পায়। তারা বিষয়টি শিক্ষকদের জানায়। পরে শিক্ষকরা স্থানীয়দের জানালে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তালগাছ প্রতীকের প্রার্থী বিউটি আক্তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

তালগাছ প্রতীকের পরাজিত প্রার্থী বিউটি আক্তার বলেন, ‘নির্বাচনে আমাকে ৩০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত দেখানো হয়। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আট দিন পর আমার নিজ কেন্দ্রের বিদ্যালয়ের ছাদে তালগাছ প্রতীকের সিল মারা ৫২৭টি ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে। এই ব্যালট পেপারগুলো একত্রিত করলে আমি দুই শতাধিক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতাম। নির্বাচনে ফেল করাতে সংশ্লিষ্টরা আমার প্রতীকের সিল মারা ব্যালট পেপার বিদ্যালয়ের ছাদে রেখে দেয়। পরে ভোট গণনা করে আমাকে ফেল দেখানো হয়। বিষয়টি নিয়ে আমি আদালতে মামলা করবো।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আমার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। ওই কেন্দ্রে ভাসানী ডিগ্রি কজেলের অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন। এ ঘটনায় আমাদের কিছু করার নেই।’

এ ব্যাপারে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তারের মুঠোফোনে বারবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।

দেলদুয়ার থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। এটা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসার ভালো বলতে পারবেন।’

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin