বার বার পরিবর্তন হচ্ছে গণটিকা কার্যক্রম, জনমনে সংশয়

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনার চলমান মহামারী থেকে বাঁচার জন্য চলছে করোনা ভ্যাকসিন প্রদানের কার্যক্রম। কিন্তু বার বার এ ভ্যাকসিন প্রদানের কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হওয়ায় জনমনে দেখা দিয়েছে সংশয়।

ইতিপুর্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আগামী ৭ই আগস্ট থেকে সপ্তাহব্যাপী দেশের ১৮ বছরের উর্দ্ধের এক কোটি নাগরিককে ভ্যাকসিন প্রদানের কথা বললেও পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় হতে জানানো হয় যে, টিকা স্বল্পতার কারনে ১কোটি মানুষ নয় বরং ৩২ লাখ মানুষকে শুধুমাত্র আগামী ৭ ই আগস্ট পাইলটিং কার্যক্রম এর মাধ্যমে টিকার আওতায় আনা হবে এবং সেক্ষেত্রে ১৮ নয় ২৫ বছরের উর্ধ্বে সকল নাগরিক কে আনা হবে এই কার্যক্রম এর আওতায়। পরবর্তীতে টিকা আমদানী করা সাপেক্ষে সকলকে টিকা প্রদান করা হবে।

অপরদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরবর্তীতে জানায় আগামী ৭ ই আগস্ট চলবে টিকার পাইলটিং কার্যক্রম এবং আগামী ১৪ ই আগস্ট হতে চলবে গণহারে টিকা প্রদানের কাজ। তবে এই ক্ষেত্রেও ১৮ নয় ২৫ বছর এর উর্দ্ধে সকলকে দেয়া হবে টিকা। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে ১৮ বছরের উর্ধ্বে অনেক নাগরিকের কাছে এখনো জাতীয় পরিচয় পত্র না থাকায় টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ে যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতে পারে। আর এই বিশৃঙ্খলা এড়ানোর জন্যই মূলত এই সিদ্ধান্ত।

কিন্তু পরবর্তীতে গতকাল (৬ আগস্ট) আবারও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে জানান যে আগামি ১৪ তারিখ থেকে নয় আগামীকাল ৭ ই আগস্ট থেকে চলবে গনটিকা প্রদান। সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভায় এই কার্যক্রম চলবে ৭,৮,৯ ই আগস্ট পর্যন্ত। শুধু মাত্র যে সকল ওয়ার্ডে এবং দূর্গম এলাকায় ৭ তারিখে টিকা প্রদান করা সম্ভব হবে না সেখানে এই কার্যক্রম চলবে ৮ ও ৯ ই আগস্ট। ১০ থেকে ১২ ই আগস্ট রোহিঙ্গা বয়ঃজ্যেষ্ঠরা পাবেন এই টিকা। এবারো ১৮ নয় ২৫ বছরের উর্ধ্বে নাগরিকরাই পাবেন এই টিকা। এই ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন নারী, পঞ্চাশোর্ধ জনগষ্ঠী এবং বিশেষ চাহিদা সম্পর্ন ব্যক্তি। এ দফায় ২য় ডোজ হাতে রেখেই দেশের ৩২ লাখ নাগরিক কে দেওয়া হবে প্রথম ডোজ এর করোনার টিকা।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin