বাবুরাইলে সমিতির বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ শহরের এক নম্বর বাবুরাইল এলাকার বৌ-বাজারে সম্মিলিত সঞ্চয় তহবিল নামে একটি সমিতির বিরুদ্ধে গ্রাহকদের প্রায় দশ থেকে পনের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সমিতির মালিক রমজান আলী টাকা বুঝিয়ে দেবার কথা বললেও নানাভাবে হয়রানি করে আসছেন বলে অভিযোগ করছেন গ্রাহকরা।

পাওনা টাকার দাবিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে বাজার ঘেরাওসহ সমিতির মালিককে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করেছেন প্রায় পাঁচ শতাধিক গ্রাহক ও বিনিয়োগকারী। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সমিতির বেশ কয়েকজন গ্রাহক ও অর্থ বিনিয়োগকারীর সাথে কথা বলে জানা যায়, আর্থিক মুনাফা লাভের আশায় জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় আড়াই হাজার মানুষ নগদ অর্থ বিনিয়োগ করেছেন এই সমিতিতে। মাসিক ভিত্তির সঞ্চয়, দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় (ডিপিএস) ও দুই থেকে দশ বছর মেয়াদে (এফডিআর) মোটা অংকের অর্থ বিনিয়োগ তারা।

তবে কোন ধরণের লাইসেন্স বা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘ আঠারো বছর যাবত এভাবেই অবৈধভাবে সমিতি পরিচালনা করে আসছেন মালিক রমজান আলী। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি বাড়ি, জমি ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট হওয়াসহ অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ার কথা স্থানীয়রা বলছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চলতি বছরের মার্চ মাসে মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে লকডাউনের সময় থেকেই সমিতির সব ধরণের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। খুলে ফেলা হয় সাইনবোর্ডটিও। করোনা পরিস্থিতিকে ব্যবহার করে তাদের বিপুল অংকের অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে কর্মচারীর উপর দায়-দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়ে সবার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন মালিক রমজান আলী। গত কয়েক মাস ধরেই নানাভাবে প্রতারণাসহ দশ থেকে পনের কোটি টাকা আত্মসাতের পাঁয়তারা করছেন বলে অভিযোগ করেন গ্রাহকরা।

এদিকে সঞ্চয় ও বিনিয়োগকৃত টাকার দাবিতে মঙ্গলবার বিকেল থেকে শত শত গ্রাহক সমিতির কার্যালয় ঘেরাও করেন। মালিক রমজান আলীকে অবরুদ্ধ করে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত তারা বিক্ষোভ করেন। কেউ দুই লাখ, সর্বনিম্ন চার লাখ থেকে শুরু করে দশ লাখ টাকা ফেরতের দাবিতে একেকজন চড়াও হন রমজান আলীর উপর। এক পর্যায়ে তিনি কৌশলে সেখান থেকে সটকে পড়েন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin