বাতাসে ভেসে থাকতে পারে করোনাঃ দাবি সিডিসির

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

করোনা ভাইরাস বাতাসে ভেসে থাকতে পারে কিনা তা নিয়ে অনেক তর্ক-আলোচনা হয়েছে বিগত কয়েক মাসে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও দাবি করেছে, কিছুটা সময় বাতাসে ভেসে থাকতে পারে করোনা ভাইরাস। কিন্তু এবার শীর্ষস্থানীয় মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন তথা সিডিসি দাবি করেছে, করোনা ভাইরাস বাতাসে ভেসে থাকতে পারে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত এবং ছড়াতে পারে সংক্রমণ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সিডিসির প্রকাশিত একটি গাইডলাইনে এ দাবি করা হয়েছে। 

সিডিসির গাইডলাইনে দাবি করা হয়েছে, বদ্ধ জায়গায় ৬ ফুট দূরত্বে থেকেও করোনা আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এক্ষেত্রে হাওয়ায় ভেসে করোনা আক্রান্তের ড্রপলেট অন্যের শরীরে পৌঁছে গিয়েছে।

করোনার ওই গাইডলাইনে বারবার অন্তত ৬ ফুট সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সোমবার (৬ অক্টোবর) প্রকাশিত সিডিসির গাইডলাইনের দাবি, কখনও কখনও দেখা গিয়েছে সেই দূরত্ব বজায় রাখা সত্ত্বেও করোনা পজিটিভ রোগীর শরীর থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। এক্ষেত্রে বায়ুবাহিত হয়েই সংক্রমণ ছড়িয়েছে।

গবেষকরা বলেছে, কয়েক মুহূর্ত থেকে কয়েক ঘণ্টা সময় পর্যন্ত বাতাসে ভেসে থাকতে পারে করোনা ভাইরাস। যেতে পারে দু’মিটারেরও বেশি দূরত্ব পর্যন্ত। ফলে বদ্ধ স্থানে তা থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি জোরে জোরে শ্বাস নিলেও বাতাসে ড্রপলেট ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে দাবি করেছে সিডিসি। বিশেষ করে গান গাইবার সময় কিংবা ব্যায়াম করার মুহূর্তে শ্বাসের গতি বেড়ে যায়। সেই সময় বাতাসে ড্রপলেট ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণের সম্ভাবনাও বাড়তে পারে।

মানুষের নাক-মুখ থেকে নির্গত হওয়া ড্রপলেট বাতাসের সংস্পর্শে এসে আরও বড় জলকণা তৈরি করতে পারে। তবে বেশি ভারী হয়ে গেলে এরা মাটিতে পড়ে যায়।

সিডিসি জানিয়েছে, আকার ও বাতাসের গতি, এই দুই বিষয়ের উপর নির্ভর করে বাতাসে কতটা দূরত্ব ভেসে যেতে পারে জলকণা।

সূত্রঃ সময় টিভি নিউজ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin