বাইপাস সার্জারি’তে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছেঃ অধ্যাপক ডা.অসিত বরণ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

হৃদপিন্ডের ‘বাইপাস সার্জারি’তে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হৃদপিন্ডজনিত অস্ত্রোপচার (কার্ডিয়াক সার্জারি) বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. অসিত বরণ অধিকারী।

বুধবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে ‘হৃদপিন্ডজনিত অস্ত্রোপচারে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা’ শীর্ষক সায়েন্টেফিক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। নগরীর চাষাঢ়ায় অবস্থিত একটি রেস্তোরাঁয় এই সভার আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে কার্ডিয়াক সার্জারির সবগুলো বিষয় নিয়ে কাজ হচ্ছে। নবজাতক শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধদেরও হৃদপিন্ডে অস্ত্রোপচারে সফলতা পাওয়া যাচ্ছে। হৃদপিন্ডে সাধারণ অস্ত্রোপচারের জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন এই শল্যচিকিৎসক (সার্জন)।

বিএমএ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ডা. চৌধুরী মো. ইকবাল বাহারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএসএমএমইউ’র অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরু ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ৩শ’ শয্যা হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) ডা. আবুল বাসার, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, ইমপালস্ হাসপাতালের পরিচালক ডা. লুৎফুল কবির খান।

প্রধান বক্তা ছিলেন ডা. অসিত বরণ অধিকারী। তিনি বলেন, কার্ডিয়াক অ্যাটাকের পর বাংলাদেশে ১৬ শতাংশ মানুষ হাসপাতালে নেওয়ার আগে আর ৭ শতাংশ মানুষ চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই মারা যায়। তবে দেশে হৃদপিন্ডের বাইপাস সার্জারিতে অনেক ভালো করছেন চিকিৎসকরা। হৃদপিন্ডের অস্ত্রোপচারের প্রায় সবগুলো ক্ষেত্রেই কাজ হচ্ছে। তবে নবজাতক শিশুদের কার্ডিয়াক সার্জারির ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে। এই ক্ষেত্রেও উন্নতি করা সম্ভব।

সাধারণ কার্ডিয়াক সার্জারির জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই মন্তব্য করে এই চিকিৎসক বলেন, নবজাতক বাদে কোনো সার্জারি করতেই দেশের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। দেশে হৃদপিন্ড ও ফুসফুস প্রতিস্থাপন করাও সহজ। তবে ডোনার না পাওয়ায় কাজটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

সভায় অন্য বক্তারা বলেন, কার্ডিয়াক সার্জারি পর্যন্ত যাওয়ার আগেই অনেকের মৃত্যু হয়। সেক্ষেত্রে অন্তত জেলা পর্যায়ে সরকারিভাবে হৃদপিন্ডজনিত অস্ত্রোপচার বিভাগ চালু করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা। একই সাথে এই ধরনের সায়েন্টিফিক সেমিনার নিয়মিত আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার কথাও জানান।

বিএমএ’র জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. শামসুদ্দোহা সঞ্চয়ের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি ডা. বিধান চন্দ্র পোদ্দার, সাধারণ সম্পাদক ডা. দেবাশীষ সাহা, ইমপালস্ হাসপাতালের মার্কেটিং বিভাগের প্রধান মোমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin