বাংলাদেশে মোবাইল ডাটার গতি নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের চেয়েও কম

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

মোবাইল ডাটার গতির হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান শুধুমাত্র আফগানিস্তানের ঠিক ওপরে। বৈশ্বিক মোবাইল ও ব্রডব্র্যান্ড ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মানের তালিকায় বাংলাদেশের এই অবস্থান।

ওকলা’স স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্স মতে, ১৩৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩। গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে মোবাইল ডাটার ডাউনলোড গতি ছিল প্রতি সেকেন্ডে ১০ দশমিক ৭৬ মেগাবাইট (এমবিপিএস)। বিশ্বে গড় গতি ছিল ৩৫ দশমিক ২৬ এমবিপিএস।

বাংলাদেশে গড় মোবাইল আপলোড গতি ছিল ৬ দশমিক ৯৬ এমবিপিএস এবং ল্যাটেনসি ছিল ৩৯ মিলিসেকেন্ড (এমএস)। বৈশ্বিক গড় ছিল ১১ দশমিক ২২ এমবিপিএস এবং ৪২ এমএস।

মোবাইল ইন্টারনেট গতির হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ায় মালদ্বীপের অবস্থান সবার ওপরে। তালিকায় দেশটির অবস্থান ৫৭। সেখানে ডাউনলোডের গতি ৩৫ দশমিক ৭০ এমবিপিএস, যা বৈশ্বিক গড় গতির সামান্য বেশি।

এরপর, শ্রীলঙ্কার অবস্থান ১০২। সেখানে গতি ১৯ দশমিক ৯৫ এমবিপিএস। পাকিস্তানের অবস্থান ১১৬ (গতি ১৭ দশমিক ১৩ এমবিপিএস), নেপালের অবস্থান ১১৭ (গতি ১৭ দশমিক ১২ এমবিপিএস), ভারতের অবস্থান ১৩১ (গতি ১২ দশমিক ৭ এমবিপিএস) এবং আফগানিস্তানের অবস্থান ১৩৮ (গতি ৭ দশমিক ২৬ এমবিপিএস)।

এই তালিকায় ভুটানকে রাখা হয়নি।

ব্রডব্র্যান্ড ইন্টারনেট গতির হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান তুলনামূলকভাবে কিছুটা ভালো। তালিকায় ১৭৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৮ এ। বাংলাদেশে ডাউনলোড গতি ২৯ দশমিক ৮৫ এমবিপিএস, আপলোড গতি ৪৫ দশমিক ৭৪ এমবিপিএস এবং ল্যাটেনসি ২১ এমএস। যা বৈশ্বিক গড় ডাউনলোড গতি ৮৫ দশমিক ৭৩ এমবিপিএসের তুলনায় অনেক কম।

ভারতের অবস্থান ৭০ (গতি ৪৬ দশমিক ৪৭ এমবিপিএস), শ্রীলঙ্কার অবস্থান ৯৪ (গতি ৩১ দশমিক ৪২ এমবিপিএস), নেপালের অবস্থান ১১৩ (গতি ২২ দশমিক ৩৬ এমবিপিএস), মালদ্বীপের অবস্থান ১১৭ (গতি ২১ দশমিক ৫৬ এমবিপিএস), ভুটানের অবস্থান ১২৬ (গতি ১৯ দশমিক ০৯ এমবিপিএস), আফগান্তিানের অবস্থান ১৫৭ (গতি ১০ দশমিক ৩১ এমবিপিএস) এবং পাকিস্তানের অবস্থান ১৫৯ (গতি ১০ দশমিক ১০ এমবিপিএস)।

অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এএমটিওবি) এর সাধারণ সম্পাদক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) এসএম ফারহাদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘করোনা মহামারির কারণে হঠাৎ করে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছিল। তা ইন্টারনেট সেবায় প্রভাব ফেলতে পারে।’

দেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ফোরজি সেবার জন্যে ডাউনলোড গতি ৭ এমবিপিএস নির্ধারণ করে দিয়েছে।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহিরুল হকের সঙ্গে গতকাল সন্ধ্যায় যোগাযোগ করা হলে তিনি সেই সূচকটি দেখেননি বলে জানান।

সূত্রঃ দ্যা ডেইলি স্টার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin