বাংলাদেশের করোনা ভ্যাকসিন তালিকাভুক্ত করল ডব্লিউএইচও

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের করোনা ভ্যাকসিন ব্যানকোভিড’কে তালিকাভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের ৩টি ভ্যাকসিন প্রি-ক্লিনিক্যাল টেস্টের জন্য তালিকা ভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

গ্লোব বায়োটেকও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৫ অক্টোবর গ্লোব বায়োটেকের আবিষ্কৃত তিনটি ভ্যাকসিনকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।’

ভ্যাকসিনগুলো হচ্ছে,  D614G variant mFNA Vaccine, DNA Plasmid Vaccine, Adonocirus Typo-5 Vcctor Caccine.

গ্লোব বায়োটেকের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ গত ১২ আগস্ট গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে ডিসেম্বরে বাংলাদেশের বাজারে করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে আসার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেন। তার এই আশাবাদ প্রকাশের একমাস পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রি-ক্লিনিক্যাল টেস্টের তালিকাভুক্ত করলো।

প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তালিকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজের ভ্যাকসিনসহ ১৫৬টি কোম্পানি রয়েছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বজুড়ে গবেষকেরা একটি ভ্যাকসিন তৈরির লক্ষ্যে ছুটছেন। এর মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৪০টির বেশি ভ্যাকসিনের ওপর নজর রেখেছে। ভ্যাকসিন তৈরি ও পরীক্ষা করতে সাধারণত বেশ কয়েক বছর সময় লাগে। বেশ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে তবেই ভ্যাকসিন ব্যবহারের উপযোগী হয়। তবে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে গবেষকেরা ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই তা সম্পন্ন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

সূত্রঃসময় নিউজ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin