বন্দরে ভাষা সৈনিক শামসুজ্জোহা’র ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক,স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত (মরণোত্তর) প্র‍য়াত সাংসদ, ভাষা সৈনিক এ,কে,এম শামসুজ্জোহা’র ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয় বন্দর শামসুজ্জোহা এম বি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় এর মাঠ প্রঙ্গণে।

শামসুজ্জোহা পরিবার কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় এর সভাপতি এবং মুছাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাকসুদ হোসেন মাকসুদ, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান এম,এ রশীদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা পরিষদ এর ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টি নারায়ণগঞ্জ এর আহব্বায়ক সানাউল্লাহ সানু।

বিশেষ অতিথি সানাউল্লাহ সানু বলেন, “এ, কে এম শামসুজ্জোহা ছিলেন স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক, যার নেতৃত্বের কারনেই নারায়ণগঞ্জ এর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত। তাদের বাসা বাইতুল আমান থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সৃষ্টি।ওসমান পরিবার এর বিরুদ্ধে কথা বলাদের অবশ্যই তাই চিন্তা ভাবনা করে কথা বলা উচিত। প্রধান অতিথি এম,এ রশীদ বলেন, “এ,কে,এম শামসুজ্জোহা ছিলেন আমার মতে বঙ্গবন্ধুর এক নাম্বার সৈনিক “।

তিনি বঙ্গবন্ধুর পাসে থেকে নারায়ণগঞ্জ সহ সারা বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি সবসময় বন্দর এবং বন্দরের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন এর চিন্তা করতেন,এদিক দিয়ে জোহা ভাইয়ের সাথে সেলিম ওসমান এর অনেক মিল” অনুষ্ঠান এর সভাপতি আলহাজ্ব মাকসুদ হোসেন মাকসুদ বলেন, “এ,কে,এম,শামসুজ্জোহা সাহেব ছিলেন একজন মহান নেতা।তিনি নারায়ণগঞ্জ এ দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়েছেন। এমন শাসক বাবা যার তিন ছেলেই দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দিচ্ছেন।

একজন সার্থক বাবা,আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা করুন, আমিন। পরিবারের পক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান বলেন, ” আমার বাবার মাগফেরাত এর জন্য দোয়া চাইতে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।আমার দাদা খান সাহেব ওসমান আলী নারায়ণগঞ্জ এর জন্য অনেক কাজ করে গেছেন, অনেক পরিশ্রম করে গেছেন, আমার পিতাও একই জায়গায় দীর্ঘদিন কাজ করে গেছেন, আমার ভাই নাসিম ওসমানও বন্দর এর জন্য অনেক কাজ করে গেছেন। নাসিম ওসমান এর চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় এই শামসুজ্জোহা বিদ্যালয়টি।আজকে দোয়া চাইতে এসেছি,আমার বাবার পাসাপাশি বঙ্গবন্ধুর জন্য, জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য সাথে যারা বিগত দিনে আমাদের সাথে কাজ করেছেন, সবার মা বাবার জন্য।

আমার উপর মা,বাবা ভাইয়ের নির্দেশ। এই বিদ্যালয় আমার বাবার সৃতি আপনাদের কাছে রেখে গেলাম যে কাজগুলো বাকি রয়েছে তা করতে আপনাদের দোয়া চাই, বন্দর এর মানুষের দোয়ায় আমি বেচে আছি।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছালিমা হোসেন শান্তা,কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন, বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদ,ধামঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃমাসুম, মহানগর জাতীয় পার্টি সদস্য সচিব এবং ২৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল আফজাল হোসেন, ২৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল দুলাল প্রধান, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টি সভাপতি বাচ্চু মিয়া,সমাজ সেবক নারগিস মাকসুদ, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মায়া আক্তার শিখা,খোদেজা পারভিন, শাহানাজ আক্তার বিউটি, নিলুফা আক্তার, বিদ্যালয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য মোঃআলী,মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ নাছির উদ্দীন, মোঃওয়াসিম, পারভিন নাহার সমাজ সেবক হাজী তাওলাদ হোসেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল হোসেন, সোহেল, শুভ ও অন্যান্য মান্য ব্যক্তিবর্গ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin