বন্দরে দখলকৃত সকল খাল পুনরুদ্ধার করা হবে : সেলিম ওসমান

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় একটি দুর্ভোগের বিষয়ে জানতে পেরে দুর্ভোগ নিরসনে তাৎক্ষনিক জরুরী সভা করেছেন স্থানীয় এমপি সেলিম ওসমান। এসময় এমপি সেলিম ওসমান জনদুর্ভোগ নিরসনে খাল উদ্ধারে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

২৭ জুন রোববার দুপুরে বন্দর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে এমপি সেলিম ওসমান সহ বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ রশিদ, বন্দর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শুক্লা সরকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা সুলতানা নাসরীন, বন্দর থানার ওসি দিপক কুমার সাহা, বন্দর ৫ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

সভায় বলা হয় বলেন, ‘বন্দর উপজেলার নরপদী জেলেপাড়া ব্রীজের সম্মুখে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে খালটির উৎপত্তি। খালটির উৎসস্থল থেকে একটি অংশ দক্ষিণ দিকে অপর অংশটি পশ্চিম দিক হয়ে পুনরায় দক্ষিণ দিকে চলে গেছে। খালটি কোথাও ১৪ থেকে ১৫ ফুট আবার কোথাও ৭ থেকে ৮ ফুট চওড়া। দুই দিক মিলে খালটির প্রায় ২ কিলোমিটার লম্বা। খালটির যে অংশ সরাসরি দক্ষিণ দিকে গেছে সেই অংশে প্রথমেই সানাউল্লা সানু ভাইয়ের (উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান) কালভার্ট যা উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ কর্তৃক টেন্ডারকৃত। সানু ভাইয়ের কালভার্ট থেকে দক্ষিণে ৫০০ গজের মধ্যে আরো একটি কালভার্ট রয়েছে। ঐ কালভার্টের উচ্চতা সানু ভাইয়ের কালভার্ট থেকে কম এর ৩০০ মিটার দক্ষিণে এম.এ ওহাব সাহেব প্রতিষ্ঠিত কলাগাছিয়া স্কুল খালটি ভরাট করেছে। ফলে উত্তর-দক্ষিণে পানি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও ২টি কাঠের সরু ব্রীজ রয়েছে। এছাড়াও এ খালের পশ্চিম-দক্ষিণ দিকের অংশে কয়েক জায়গা সম্পূর্ণ ভরাট করা হয়েছে।’

সভায় আলোচনায় উঠে আসে, ‘বন্দর উপজেলায় যত্রতত্র ড্রেজার পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে। নরপদী খাল বেদখল ও ভরাট সহ বিভিন্ন জায়গায় কালভার্ট হওয়ায় পানির প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে অত্র এলাকার ২০ হাজার পরিবারের মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। কৃষি কাজ সহ ব্যবসায়ীকভাবেও ক্ষতি হয়েছেন। যা নিয়ে এলাকাবাসী অভিযোগ করে আসছিলেন।’

এর প্রেক্ষিতে সভায় এমপি সেলিম ওসমান আগামী তিন দিনের মধ্যে নরপদী খালের কালভার্ট ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্দর উপজেলায় যেসব খাল আছে, যেগুলো বিভিন্ন মানুষ দখল করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে, সেগুলো সরেজমিনে তদন্ত করে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য বন্দর ইউএনওকে নির্দেশ দেন। এছাড়াও কোন কোন খালগুলো সংস্কার করা হলে সাধারণ মানুষের জন্য উপকার হবে তার একটি আলাদা রিপোর্ট দিতে বলেছেন তিনি।

সেলিম ওসমান বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধি যদি তার ব্যবসায়ীক স্বার্থে নরপদী খালে যে সমস্যা ছিল তার সঙ্গে বড় সমস্যা সৃষ্টি করেছে। তাই আশা করি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এ কালভার্ট সরিয়ে ফেলবে সেই জনপ্রতিনিধি। ওই জনপ্রতিনিধি নিজেই এ দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সূত্রঃ নিউজ নারায়াণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin