বন্দরে ঈমাম তাড়ানোকে কেন্দ্র করে মারা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া : আহত ৫

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

মসজিদ থেকে ঈমাম তাড়ানোকে কেন্দ্র করে মারামারি, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছেন। এ ঘটনায় ৫ জন মুসল্লী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

বন্দরের সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদে শুক্রবার (২ এপ্রিল) জুম্মার নামাজের সময় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদের পেশ ঈমাম মুফতী সাইফুল্লাহকে তাড়িয়ে দিতে চাই ছিল কমিটির এক অংশ। আর একটি পক্ষ চাই ছিলেন রাখতে। পেশ ঈমাম মুফতী সাইফুল্লাহকে রাখা না রাখাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি জাতীয়পার্টি নেতা আজিজুল, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন, জামাত নেতা কাজী মামুন, মুতুয়াল্লী সিরাজ মুন্সি ও শরিফের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে ঈমাম মসজিদের কমিটির কাছে বেতন বুঝে নিয়ে চলে যায়।

এদিকে, এমন সংবাদে সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি এবাদুল্লাহসহ শতাধিক মুসল্লী গিয়ে ইমাম সাহেবকে জুম্মার নামায আদায় করার জন্য মসজিদে নিয়ে আসে। এরই জের ধরে জুম্মার নামাজের বয়ানের সময় আকস্মিকভাবে জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আজিজুলসহ ৩০/৪০জনের একটি সংঘবদ্ধ দল মসজিদে প্রবেশ করে হইচই শুরু করে দেয়। এক পর্যায়ে ঈমামের উপর মারমূখী আচরণ করার সময় স্থানীয় মুসল্লীদের সাথে আজিজুলের বাহিনীর হাতাহাতিতে রুপ নেয়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিতে বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানু এগিয়ে গেলে তাকে জাতীয় পার্টি নেতা আজিজুল লাঞ্চিত করে। এ ঘটনায় সংবাদ পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ এসে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়।

এ ঘটনায় সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদের ঈমাম মুফতী সাইফুল্লাহ জানান, মসজিদের মুতোয়াল্লী সিরাজ মুন্সি, তার ছেলে জামাত নেতা কাজী মামুনসহ কমিটির আংশিক কিছু লোক মসজিদে জামায়াত ইসলামী প্রক্রিয়ায় পরিচালনা করতে চায়। মুয়াজ্জীণের সাথে দূর্বব্যবহার করে। মিলাদের নামে কমিশন প্রক্রিয়া চালু করতে চায়। মসজিদের হিসেব-নিকেশেও তারা গোপন করতে চায়। আমি এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করাতেই আমাকে মসজিদ থেকে তাড়ানোর জন্য তারা উঠে পড়ে লেগেছে। আজ তারা জুম্মার নামাজের সময় মসজিদে প্রবেশ করেই হইচই করলে স্থানীয় মুসল্লীরা তাদের এমন অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ করে। এ সময় তারা একজন জনপ্রতিনিধির কথা শুনে নাই। আমার উপর যত জুলুমই হোক না কেন সত্য ও ন্যায়ের পথ থেকে আমি এক চুলও নড়ব না ইনশাআল্লাহ।

বন্দর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানু বলেন, সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মসজিদ। এই মসজিদের ঈমাম মুফতী সাইফুল্লাহ সাহেবও খুব ভাল বয়ান করেন। কিন্তু তিনি একটু প্রতিবাদী। কোন অন্যায়-অবিচার দেখলে প্রতিবাদ করবেনই। কিছু জামাত সমর্থিত লোকদের নিয়ে জাতীয় পার্টি নেতা আজিজুল মসজিদে জুম্মার নামাজের সময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। আমি খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়েছিলাম। ওই সময় আজিজুল আমার সাথে দূর্বব্যাবহার করেছে। আমি পড়ে গিয়ে পায়ে আঘাত পেয়েছি। আমার মোবাইলটাও ভেঙ্গে গেছে।

সুত্রঃ লাইভ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin