বক্তাবলীতে শওকত, কুতুবপুরে সেন্টু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ও বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত দুই প্রার্থী মনিরুল আলম সেন্টু ও শওকত আলী। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে তারাই স্ব স্ব ইউপিতে একক প্রার্থী। এছাড়া ৪টি সাধারণ সদস্য ও ১১টি সংরক্ষিত নারী সদস্য পদেও একক প্রার্থী থাকায় ওই পদগুলোতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে না।

আজ মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে জেলা নির্বাচন অফিস থেকে জানা যায়, আপীলের পর ১৬ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে বৈধ প্রার্থী ছিলেন ৬০ জন। শেষ দিনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন ৯ জন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হচ্ছেন ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থী। অন্যদিকে আপীলের পর সাধারণ সদস্য পদে বৈধ প্রার্থী ছিলেন ৬০২ জন। শেষদিনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন ৫৫ জন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন ১১ জন। সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে বৈধ প্রার্থী ছিলেন ১৬৫ জন। তাদের মধ্যে ১০ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ৪ জন সদস্য প্রার্থী নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

সদর উপজেলার বক্তাবলী ও কুতুবপুরে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী যথাক্রমে এম শওকত আলী ও মনিরুল আলম সেন্টু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। গত ২১ অক্টোবর বাছাইয়ে বক্তাবলী ইউপি চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবুল হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে কুতুবপুরে প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। ফলে বক্তাবলীতে এম শওকত আলী ও কুতুবপুরে মনিরুল আলম সেন্টুই একক প্রার্থী। তারা দু’জনই বর্তমান পরিষদের চেয়ারম্যান। শওকত আলী ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। গতবারও তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। মনিরুল আলম সেন্টু বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে চমক দেখান।

উল্লেখ্য আগামী ১১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর, গোগনগর, আলীরটেক, এনায়েতনগর; বন্দর উপজেলার বন্দর, কলাগাছিয়া, ধামগড়, মুছাপুড়, মদনপুর এবং রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ও ভোলাব ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই ১১ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী রয়েছেন ৪৬ জন। অন্যদিকে সাধারণ সদস্য পদে ৫৩৬ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৫১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন। আগামী ২৭ অক্টোবর তাদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। তারপরই প্রার্থীরা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামবেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin