ফের মৌমিতা ও অনাবিল পরবিহন নিয়ে নানা অভিযোগ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

সোশ্যাল মিডিয়ায় মৌমিতা ও অনাবিল পরবিহন বয়কটের আহবান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের তরুন সমাজ, নারায়ণগঞ্জে বর্তমানে যানজট  সমস্যা একটি মারাত্মক রুপ ধারণ করেছে যার অন্যতম কারন হিসেবে এই দুই পরিবহন সেবার খামখেয়ালিপনা কে মনে করছে তরুনরা

নগরীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে মাত্র কয়েক কিলোমিটার পথ যেতে সময় লেগে যাচ্ছে আধ থেকে এক ঘন্টার মতো।তার সাথে রিকশা, অটোরিকশা ঝনঝনানি ও পরিবহনের হর্ন সহ নানা শব্দে, নারায়ণগঞ্জে শব্দ দূষন এখন অসহনীয় পর্যায় পৌছেছে।এই যানজট সৃষ্টির নানা কারন থাকলেও সাধারণ নগরবাসী বেশকিছু দিন যাবত মৌমিতা ও অনাবিল পরিবহনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছে।

এই নিয়ে স্থানীয় অনেক গণমাধ্যমে তাদের সেবার মান ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরা হয়,যার ধারাবাহিকতায় ফের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের নারায়ণগঞ্জ ভিত্তিক গ্রুপগুলোতে নগরবাসী তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ নিয়ে কথা বলছে।

আজ (২৯ ডিসেম্বর) নারায়াণগঞ্জের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বেশি সদস্যের ফেসবুক গ্রুপ ” নারায়ণগঞ্জস্থানে ” জিসান তানভির নামে একজন পোস্ট করে বলেন, বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের জ্যাম সমস্যার জন্য এই ২ বাস মানে ( মৌমিতা ও অনাবিল) কোম্পানি দায়ী,যেখানে সেখানে থামিয়ে লোক উঠায়।এই দুই বাস দুইটার রুট পারমিট বাতিল করা যায় না? বা অন্য কোন ব্যাবস্থা কি করা যায় না,যাতে এদের কারনে জ্যাম না হয়?

মৌমিতা পরিবহনের সেবা নিয়ে যত অভিযোগ

এ ছাড়া চাষাড়ায় যানযট সৃষ্টি, মানহীন সেবা, ড্রাইভার হেলপারদের অসৌজন্যমূলক আচরণ, ট্রাফিক আইন ভঙ্গ সহ নানা অভিযোগ এই পরিবহনের বিরুদ্ধে। প্রতিদিন কেউ না কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মৌমিতা পরিবহনে ভ্রমণের তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। জনাব আনিস (ছদ্মনাম) পেশায় একজন বেসরকারি ব্যাংকার।

সকালে অফিসে যাওয়ার জন্য তিনি বাসেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। মৌমিতা বাসে ওঠে তিনি আবিষ্কার করেন সিটিং সার্ভিসের ভাড়া দিয়ে লোকালের চেয়েও জঘন্য সার্ভিস পাচ্ছেন। করোনাকালীন সময়ে সিটের অতিরিক্ত যাত্রী না তোলার বিধান থাকলেও গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করছে মৌমিতা পরিবহন।

যাত্রী পূর্ন হওয়া স্বত্বেও প্রতিটি স্টপেজে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে অফিসগামী যাত্রীদের বিড়ম্বনা বাড়াচ্ছে। রাহাত (ছদ্মনাম ) একজন অনার্স শিক্ষার্থী। প্রায়ই তার ঢাকা যেতে হয়। সাইনবোর্ডে প্রায়ই মৌমিতা বাস দাড় করিয়ে রাখা হয় যাত্রীর অপেক্ষায়। রাহাত প্রতিবাদ করলে তার সাথে খুবই বাজে আচরণ করে বাসের ড্রাইভার, হেলপার।

মৌমিতা নিয়ে নগরবাসীর অভিযোগের অন্ত নেই। ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের সাথে বাক-বিতন্ডা এমনকি হাতাহাতি, মারামারির অভিযোগ ও পাওয়া গেছে। রাতের ক্ষেত্রে মেট্রোহল পর্যন্ত যাওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ বাস ই সাইনবোর্ডের পর আর যেতে চায় না।

সকালে অফিসে যাওয়ার জন্য তিনি বাসেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। মৌমিতা বাসে ওঠে তিনি আবিষ্কার করেন সিটিং সার্ভিসের ভাড়া দিয়ে লোকালের চেয়েও জঘন্য সার্ভিস পাচ্ছেন। করোনাকালীন সময়ে সিটের অতিরিক্ত যাত্রী না তোলার বিধান থাকলেও গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করছে মৌমিতা পরিবহন।

যাত্রী পূর্ন হওয়া স্বত্বেও প্রতিটি স্টপেজে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে অফিসগামী যাত্রীদের বিড়ম্বনা বাড়াচ্ছে।রাহাত (ছদ্মনাম ) একজন অনার্স শিক্ষার্থী।প্রায়ই তার ঢাকা যেতে হয়। সাইনবোর্ডে প্রায়ই মৌমিতা বাস দাড় করিয়ে রাখা হয় যাত্রীর অপেক্ষায়। রাহাত প্রতিবাদ করলে তার সাথে খুবই বাজে আচরণ করে বাসের ড্রাইভার, হেলপার।

মৌমিতা নিয়ে নগরবাসীর অভিযোগের অন্ত নেই।ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের সাথে বাক-বিতন্ডা এমনকি হাতাহাতি, মারামারির অভিযোগ ও পাওয়া গেছে।রাতের ক্ষেত্রে মেট্রোহল পর্যন্ত যাওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ বাস ই সাইনবোর্ডের পর আর যেতে চায় না।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin