ফেরদাউসুর চামরা বাঁচানোর জন্য সরকারের প্রেসক্রিপশনে এ কথা বলছেঃ তৈমূর

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহব্বায়ক তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ‘হেফাজত তো সময় সময় সরকারের পক্ষেও আন্দোলন করে, আবার সরকারের সাথেও থাকে। সেই হেফাজতের নেতা ফেরদাউসুর রহমান চামরা বাঁচানোর জন্য সরকারের প্রেসক্রিপশনে এ কথা বলছে। আমরা যতটুকু জানি, বিএনপির লোকদের ফাঁসানোর জন্য সরকার ও সরকারি দলের লোকজন এ গুলো করেছে।’

হরতালে নারায়ণগঞ্জে হওয়া সংঘর্ষে ‘বিএনপি-জামায়াত ও শিবির সম্পৃক্ত হতে পারে’ হেফাজতের পক্ষ থেকে করা এমন অভিযোগের জবাব দিয়েছে জেলা বিএনপি। দলটির শীর্ষ নেতারা বলেছে, হেফাজতই সরকারের প্রেসক্রিপশনে চলছে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভে হতাহতের ঘটনায় গত রোববার হরতাল ডাকে হেফাজতে ইসলাম।

হরতাল কর্মসূচিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন অংশে ব্যাপক হামলা, ১৭ পরিবহনে আগুন, শতাধিক পরিবহনে ভাংচুর ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ হেফাজত সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করতে দেড় টিয়ারশেল এবং ৪ হাজার রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে ২জন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশত মানুষ আহত হন।

এ ঘটনার পর হেফাজতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আমির মাওলানা ফেরদসুর রহমান ফেরদাউসুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের সাথে কিছু বহিরাগতরা মিশে এই রণক্ষেত্র তৈরি করেছেন, তারা হতে পারে জামায়েত-শিবির বা বিএনপি।’

এর প্রেক্ষিতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, ‘কর্মসূচি ছিল হেফাজতের। হেফাজতের কর্মসূচিতে হেফাজতই মাঠে ছিল। কিন্তু আগুন আর ভাঙচুর কারা করেছে সেটা বলতে পারবো না। তবে, বিএনপির কোন লোকজন সেখানে ছিল না সেটা আমি বলতে পারি। নারায়ণগঞ্জে যদি বিএনপির কোন কর্মসূচি থাকে, তাহলে দলটির সদস্য সচিব হিসেবে পারতাম। উনি কোন তথ্যের ভিত্তিতে এ কথা বলছে, সেটা আমার বোধগম্য নয়। এটা একমাত্র উনিই বলতে পারবেন।’

সূত্রঃ লাইভ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin