ফুলের গ্রাম সাবদিতে দর্শনার্থীদের ভিড়

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

দীর্ঘ লকডাউনেরপর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জনজীবন। আগামী ১৯ তারিখ থেকে অর্ধেক দর্শনার্থীর প্রবেশ করার সু্যোগ দিয়ে খুলতে যাচ্ছে বিনোদন কেন্দ্রগুলো। এই ঘোষনার পর থেকেই ভ্রমন পিপাসুদের ভীড় বাড়ছে জেলার উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে৷ জেলার বন্দর উপজেলার সাবদিতে গিয়ে দেখা মিলে অসংখ্য ভ্রমনপ্রিয়দের। দিনে দিনে আগের রূপে ফিরতে শুরু করেছে ফুলের এই গ্রামটি।

আজ শুক্রবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে সাবদিতে গিয়ে দেখা যায় দর্শনার্থীদের বিশাল ভীড়। লকডাউন শিথিলের ঘোষনায় দিনে দিনে বাড়ছে এই চাপ। ফুলের গ্রাম সাব দিতে এখন ফুলের সমারোহ না থাকলেও আসন্ন শীত মৌসুমকে টার্গেট করে ফুলচাষীরা ফুল চাষ শুরু করছেন। সাবদির পাশের ব্রহ্মপুত্র নদীর স্বচ্ছ পানি আর নদীপাড়ের সুশীতল বাতাস উপভোগের জন্য দর্শনার্থীরা ভীড় জমায় এই গ্রামে।

সরকারী চাকুরীজীবি আবু আসাদ পরিবারকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন সাবদিতে। নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনকে তিনি জানান, ছোট্ট মেয়ে ত্বাহা দীর্ঘদিন ধরে বাহিরে বের হবার জন্য বাবাকে অনুরোধ করছিল। করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় দীর্ঘদিন ঘরে বন্দি থেকে হাপিয়ে উঠেছে ছোট্ট ত্বাহা। করোনার প্রকোপ কিছূটা কমে যাওয়ায় আজ ছুটির দিনে তাই বের হয়েছেন স্ত্রী আর কন্যাকে নিয়ে। ফুলের গ্রামে এসে ফুলের বাগান না দেখে ছোট্ট ত্বাহার মন খারাপ হলেও এলাকায় ছোট শিশুদের থেকে গোলাপ আর রজনীগন্ধ্যা পেয়ে দারুন খুশি সে। নৌকা দিয়ে নদীতে ঘুরে খুবই খুশি এই শিশু। ত্বাহার মতই অন্যান্য দর্শনার্থীরাও খুশি দীর্ঘদিন পর শহুরে জীবন থেকে দূরে প্রকৃতির সান্নিধ্যে এসে।

সাবদিতে ভীড় বাড়ায় খুশি এলাকার স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। অনেক দিন পর আজ সরকারী ছূটির দিনে বেচাবিক্রি করে খুশি দোকানীরা। সাবদির রুবেলের চায়ের দোকানে গিয়ে দেখা মিলে আগের মত চিরচেনা ভীড়। একই দৃশ্য স্থানীয় খাবারের দোকানগুলোতেও। দীর্ঘদিন পর যাত্রীর চাপ বাড়ায় মুখে হাসি ফুটেছে স্থানীয় অটোরিকশা আর সিএনজি চালকদের মুখে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin