ফরজ শেষে বিতর নামাজের সময়েই বিকোট শব্দ হয় : দগ্ধ মামুন

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার তল্লা এলাকায় বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়া মামুনকে (৩০) সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

এসময় মামুন জানান, তিনি একটি গার্মেন্টের শ্রমিক। বিস্ফোরণের সময়ে তিনি গলির ভিতর ছিলেন। তখন অনেককেই মসজিদের বাহিরে এসে পানিতে ঝাঁপিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখেন। ভেতরে অনেক কিছুই জ¦লে পুড়ে ছাই হচ্ছিল। ঘটনাটি ঘটে যখন বেশীরভাগ মানুষই এশার ফরজ ও সুন্নতের পর বিতরের নামাজ পড়ছিল।

গ্যাসের গন্ধ পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, গ্যাসের গন্ধ আগে থেকেই ছিল। হালকা হালকা বের হতো। তবে মসজিদ কমিটি কারো সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কিনা সেটা তার জানা নেই।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসার বিষয়ে তিনি জানান, চিকিৎসা ভালমতোই হয়েছে। কয়েকদিন পরে এসে তাকে ড্রেসিং করিয়ে যেতে বলেছেন। হতাহতদের জন্য দেশবাসী দোয়া করায় তিনি কৃতজ্ঞ।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন গণমাধ্যমকে জানান, বিস্ফোরণে মামুনের শরীরের ১২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তবে তার শ্বাসনালী দগ্ধ হয়নি। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তাকে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চিকিৎসকদের পরামর্শে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। তবে তাকে ২ সপ্তাহ পর আবার ফলোআপ চিকিৎসার জন্য আসতে বলা হয়েছে। এছাড়া কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ছাড়পত্র পাওয়া দগ্ধ মামুনের ভায়রা মোসলেম উদ্দিন জানান, মামুনের বাবার নাম মৃত লতিফ। স্ত্রী রুবি বেগমকে নিয়ে তল্লা এলাকায় থাকতেন। তার বাড়ি পটুয়াখালি গলাচিপায়। নারায়ণগঞ্জে কাউসার গার্মেন্টস চাকরি করতেন তিনি। তার কোনো সন্তান নেই। তিনি বলেন, মামুনের দুই পা, বাম হাত, চুল, ঠোঁট, নাক, বাম কান ও গলায় কিছুকিছু অংশ দগ্ধ হয়েছিল। রোববার রাতে তাকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছিল। আর আজ ছাড়পত্র দেয়া হলো।

সূত্রঃ নিউজ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin